নাসা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ‘সাইট’ তৈরি করছে, এবার মানুষও অবতরণ করতে পারবে
নাসা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ‘সাইট’ তৈরি করছে, এবার মানুষও অবতরণ করতে পারবে
নাসা স্পেস লঞ্চ সিস্টেম চালু করতে চলেছে সম্প্রতি। এর ফলে আগামী দু'বছরের মধ্যে মানুষ চাঁদে অবতরণ করতে পারবে। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবার চাঁদে অবতরণের জন্য বিশেষ অবস্থান ঘোষণা করতে প্রস্তুত। ভবিষ্যতের ক্রু মিশনের জন্য আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা নাসা তৈরি। আর্টেমিস-থ্রি মিশনের অংশ হিসেবে মহাকাশচারীদের অবতরণের সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে নাসা।

পাঁচ দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান
নাসার বিজ্ঞানীরা, মহাকাশচারীদের অবতরণের সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে। শুক্রবার নাসা এ ব্যাপারে একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানেই জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে। আর্টেমিস থ্রি মিশনটি ২০২৫ সালে মহাকাশচারীদের নিয়ে শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। অ্যাপালো মিশন বন্ধ হওয়ার পর পাঁচ দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে।

চাঁদের দক্ষিণ মেরুকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে
নাসা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, চাঁদের প্রতিটি অঞ্চলেই অবতরণের পরিবেশ রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুকেই সম্ভবত বেছে নেওয়া হচ্ছে। স্পেস এজেন্সি আরও জানিয়েছে, নির্বাচিত অঞ্চলগুলির প্রতিটি ক্ষেত্র থেকেই নির্দিষ্ট অবতরণের স্থানগুলি নির্বাচন করা যেতে পারে। বিজ্ঞানীদের আগ্রহের কারণেই দক্ষিণ মেরুকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। ওই ভূখণ্ডে যোগাযোগ এবং আলোর ব্যবস্থার পাশাপাশি বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য পূরণের ক্ষমতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মিশনের ভবিষ্যতের উদ্দেশ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৪২ দিনের দীর্ঘ যাত্রা শুরু করবে চাঁদের উদ্দেশে
আর্টেমিস মিশনের জন্য নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযান এই মাসের শেষের দিকে উৎক্ষেপণ করতে পারে। বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডায় নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে লঞ্চ কমপ্লেক্সের ৩৯বি-র উপরে পৌঁছেছে। মহাকাশযানটি ২৯ অগাস্ট ৪২ দিনের দীর্ঘ যাত্রা শুরু করবে চাঁদের উদ্দেশে।

ড্রেস রিহার্সাল থেকে সমস্ত পাঠ শিখে নেওয়ার কাজ
নাসা জানিয়েছে, মহাকাশযানটি লঞ্চ প্যাডের সঙ্গে ডক করা হয়েছে। প্রকৌশলী এবং প্রযুক্তিবিদরা লঞ্চের জন্য সিস্টেমগুলি কনফিগার করবে। তারা অপারেশন এবং পদ্ধতিগুলিকে পরিমার্জিত করার জন্য কাজ করছে। ড্রেস রিহার্সাল থেকে সমস্ত পাঠ শিখে নেওয়ার কাজও চলছে।

মঙ্গল অভিযান শুরুর আগে নাসার বিজ্ঞানীরা
৩২২ ফুট বা ৯৮ মিটার লম্বা রকেটটি কোনও মানুষ ছাড়াই তার প্রথম মিশনে যাত্রা করবে। এটি নাসার-র আর্টেমিস প্রোগ্রামের জন্য চাঁদে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘ বিলম্বতি প্রদর্শনী ট্রিপ হবে। মঙ্গলে ভবিষ্যৎ মিশনের অনুশীলন হিসেবে চন্দ্র পৃষ্ঠে এই মিশন শুরু করেছে নাসা। চাঁদে এই মিশনে সফল হলে নাসার বিজ্ঞানীরা মঙ্গল অভিযান শুরু করবে। আর তারপর তাঁদের আরও একটি লক্ষ্য হবে আর্টেমিস মিশনে চাঁদে মানুষ পাঠানো।












Click it and Unblock the Notifications