লক্ষ্য মঙ্গলে মানুষ, চাঁদে বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী রকেট পাঠাল নাসা
নাসার আর্টেমিস-১ মিশন সোমবার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে চাঁদের উদ্দেশে রহনা দিয়েছে। বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী এই রকেটটি ৪২দিন মহাকাশে চাঁদের আশেপাশে থাকবে। একাধিক তথ্য সংগ্রহ করবে এবং পৃথিবীতে ফিরে আসবে। তবে এই মিশনে কোনও মহাক
অ্যাপোলো মিশনের ৫০ বছর নাসা আবার চাঁদে নভোশ্চর পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। নাসার প্রধান লক্ষ্য হল মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানো। তবে সেই কর্মসূচি গ্রহণের অনেক আগেই চাঁদে মানুষ পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। আর্টেমিস-১ মিশন সোমবার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে চাঁদের উদ্দেশে রহনা দিয়েছে। বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী এই রকেটটি ৪২দিন মহাকাশে চাঁদের আশেপাশে থাকবে। একাধিক তথ্য সংগ্রহ করবে এবং পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

আর্টেমিস-১ অভিযানে কোনও মানুষ বা নভোশ্চর অংশগ্রহণ করছে না। একটি পুরুষ ম্যানিকিনকে পাঠানো হয়েছে। এই পুরুষ ম্যানিকিনের নাম দেওয়া হয়েছে কমান্ডার মুনিকিন ক্যাম্পোস। মহাকাশে যাওয়ার সময় মহাকাশচারীরা যেমন স্পেসস্যুট পরেন, সেই ধরনের স্পেসস্যুট পরানো হয়েছে। ম্যানিকিনে দুটি রেডিয়েশন সেন্সর রয়েছে। যার সাহায্যে সম্পূর্ণ মিশনে ত্বরণ ও কম্বনের ডেটা সংগ্রহ করা হবে। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, এই মিশনের ফলে ম্যানিকিন থেকে পাওয়া তথ্য আর্টিমিস-২ মিশনের নভোশ্চরদের সাহায্য করবে। চাঁদে নভোশ্চর পাঠানোর আগে সতর্কতা হিসেবে এই মিশনগুলোর সিদ্ধান্ত নেওযা হয়েছে।
জানা গিয়েছে আর্টেমিস-১ মিশনে স্পেস লঞ্চ সিস্টেমে চারটি রকেট রয়েছে। এই রকেটগুলোর শক্তি ১৪টি বড় বাণিজ্যিক বিমানের থেকেও বেশি। এছাড়াও দুটি সলিড স্টেট বুস্টার রয়েছে। এই দুটি সলিড স্টেট বুস্টার প্রায় ৭৫ শতাংশ শক্তি উৎপন্ন করবে। যা রকেট এবং কার্গোকে মাটি থেকে আকাশে উড়তে সাহায্য করবে। নাসা জানিয়েছে, লঞ্চের দিন রকেটে ৫৩৭,০০০ গ্যালন তরল হাইড্রোজেন ও ১৯৬,০০০ গ্যালন অক্সিজেন মজুত করা হবে। এই এসএলএস-এর মধ্যে ওরিয়ন ক্যাপসুল রয়েছে। উৎক্ষেপণের ৮.৫ মিনিটের মধ্যে এসএলএস ও ওরিয়ন ক্যাপসুল ঘণ্টায় ১৭,০০০ মাইল বেগে ভ্রমণ করতে পারবে।
পৃথিবাীর কক্ষপথের বাইরের মিশনের জন্য ওরিয়ন ক্যাপসুলকে তৈরি করা হয়েছে। মূলত বিজ্ঞানীরা চাঁদ ও মঙ্গল অভিযানকে সামনে রেখে এই ওরিয়ন ক্যাপসুলের ডিজাইন করেছে। এই ওরিয়ন ক্যাপসুলটি মহাকাশের চরম তাপমাত্রা প্রতিহত করতে সক্ষম। আবার বায়ুমণ্ডলের প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এই ওরিয়ন ক্যাপসুলের একট ভুল মহাকাশচারীদের প্রাণ সংশয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে একটি রকেটে ওরিয়ন ক্যাপসুলকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। তারপর একাধিকবার পরীক্ষা করা হয়েছে। এসএলএস সিস্টেম লঞ্চের দেরির প্রধান কারণ এই ওরিয়ন ক্যাপসুল।












Click it and Unblock the Notifications