NASA in Moon Mission: চাঁদের হিংসাত্মক অতীত ঘেঁটে দেখতে চায় নাসা, হাতিয়ার ‘ডিম্পল’
NASA in Moon Mission: চাঁদের অতীত জানতে চায় নাসা। তাই 'ডিম্পল'কে ব্যবহার করে চাঁদের হিংসাত্মক অতীত ঘেঁটে দেখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চাঁদের বিবর্তন সম্পর্কে জানতে রহস্যের গভীরে গিয়ে গবেষণা করতে চাইছে নাসা। বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, এই অনুসন্ধানে তাঁরা সৌরজগতের ইতিহাস জানতে এক অন্তর্দৃষ্টি স্থাপন করতে পারে।
নাসা সম্প্রতি শুরু করেছে আর্টেমিস মিশন। ইতিমধ্যে আর্টেমিস ওয়ান মিশন শেষ করেছে। আর্টেমিস টু মিশনের প্রস্তুতি চালাচ্ছে। এই চন্দ্র মিশনের অংশ হিসাবে নাসা চাঁদের কাছাকাছি আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ দ্বারা গঠিত পাহাড়ি ভূখণ্ডের বয়স ও গঠন নিয়ে গবেষণার একটি নতুন বৈজ্ঞানিক মিশনকে বেছে নিয়েছে।

সেজন্য নাসা একটি যন্ত্রকে হাতিয়ার করেছে। ডেটিং অ্যান ইররেগুলার মের প্যাচ উইথ আ লুনার এক্সপ্লোরার সংক্ষেপে ডিম্পল নামে এই যন্ত্রই তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। ১৯৭১ সালে অ্যাপোলো ১৫ মিশন দ্বারা ধারণ করা চিত্রগুলিতে আবিষ্কৃত হয়েছিল। তা থেকেই নাসার নয়া ডিভাইস নয়া গবেষণায় শামিল হচ্ছে।
নাসা সদর দফতরের বিজ্ঞানের সহযোগী প্রশাসক নিকোলা ফক্স বলেন, "ডিম্পল চাঁদ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করবে, যা আমাদের সৌরজগতের পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের উৎস বুঝতে সাহায্য করবে৷ উপরন্তু, আমরা আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী সম্পর্কে আরও বুঝতে সাহায্য করবে।
নাসা চাঁদে এবং মঙ্গল গ্রহে দীর্ঘমেয়াদী মানব অনুসন্ধানকে আরও বেশি মাত্রায় সংঘটিত করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ডিম্পল পেলোডের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার খরচ বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৭ সালের মাঝামাঝি ডিম্পল মিশন শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।
ডিম্পল হল একটি রোভার বা গ্রিপিং যন্ত্র। তা একটি স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করে চাঁদের অভ্যন্তর থেকে পৃষ্ঠের নমুনার বয়স এবং গঠন বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। একাধিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে তিন থেকে ২৫টিরও বেশি আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপের সময় উদ্ঘাটন করতে চায় ডিম্পল।

অতীতে চন্দ্রের আবরণের তাপমাত্রা ও চন্দ্র বিস্ফোরণে তেজস্ক্রিয় উপাদানগুলির ভূমিকা সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে এই অনুসন্ধান চলছে। এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাঁদের ভূ-রাসায়নিক অবস্থা সম্পর্কে আরও ভালো করে বোঝার চেষ্টা করবে। এটি চাঁদে গর্তের বয়স এবং বিবর্তনের পুনর্মূল্যায়নও করবে, যা সৌরজগতের পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহের ইতিহাস বোঝার জন্য প্রভাব প্রদান করবে।
নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই মিশনের উপলব্ধ ফল সৌরজগতের বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক ভূখণ্ডের নিখুঁত বয়স পরিমাপ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। নাসার বিজ্ঞান মিশন অধিদপ্তরের অনুসন্ধানের উপ-সহযোগী প্রশাসক জোয়েল কার্নস এই ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications