NASA in Mars mission: নাসার চার নভশ্চর মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পৃথিবীতে, কীভাবে
নাসা ইতিমধ্যে চাঁদের মানব অভিযান শুরু করতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে ২০২৩-এর শেষে বা ২০২৪-এর প্রথমেই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেবে নাসার নভশ্চররা। একইসঙ্গে নাসা যে মঙ্গলেও মানব অভিযানের পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে, তা স্পষ্ট হল এবার।
নাসার চার নভোশ্চর মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পৃথিবীতেই। মঙ্গলে নাসা পাড়ি দিলে সেটি হবে নাসার এখন পর্যন্ত দীর্ঘতম অ্যানালগ মিশন। মঙ্গল গ্রহে তাদের প্রথম মিশনে নভোচারীদের কী প্রয়োজন হবে তা নির্ধারণ করার কাজ চলছে। জুন মাসেই এই লক্ষ্যে নয়া মিশন শুরু হবে।

নাসার বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা চারজন নভশ্চরকে মঙ্গল গ্রহে একটি মিশন শুরু করবে। আদতে এই মিশনটি হল একটি মহড়া। এটি জনসন স্পেস সেন্টারে মঙ্গল গ্রহের মতো বাসস্থান গড়ে এই মহড়া চালানো হবে। তার ভিতরে নাসার ওই স্বেচ্ছাসেবক দল সিমুলেশনে থাকবে।
নাসার ক্রু হেলথ অ্যান্ড পারফরম্যান্স এক্সপ্লোরেশন অ্যানালগেক প্রধান ডাঃ গ্রেস ডগলাস বলেন, "যেহেতু আমরা পৃথিবীর নিকটবর্তী কক্ষপথ বা নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে পৃথিবী থেকে আরও দূরে একটি মিশনে চলে যাচ্ছি, আমাদের সত্যিই বুঝতে হবে কীভাবে আমরা আরো সীমিত সম্পদের সঙ্গে ক্রু-দের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে পারি।

নাসার মুন টু মার্স অন্বেষণ আর্টেমিস লঞ্চের মতো এক মিশন দিয়ে শুরু হয়েছিল। তা এখন মঙ্গল গ্রহের সিমুলেশন আবাসস্থলের সঙ্গে চলবে। নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, এটি একটি তিন থেকে চার বেডরুমের বাড়ির আকারের। এটি এখন থেকে নাসার দীর্ঘতম অ্যানালগ মিশনের জন্য ব্যবহার করা হবে।
নাসা ৫০ বছর পর প্রথম কোনো মানব অভিযান শুরু করতে চলেছে চাঁদে। আর্টেমিস মিশন টু-তে চাঁদের কক্ষপথে যাবেন নাসা চার নভশ্চর। তারপর ২০২৫-এর মধ্যে নাসা পরবর্তী আর্টেমিস মিশনে চাঁদের মাটিতে পা রাখবে। ইতিমধ্যেই ৫০ বছর পর চাঁদে প্রথম মানব মিশনের নভশ্চরদের নাম জানিয়ে দিয়েছে নাসা।

সেই আঙ্গিকে নাসার পরবর্তী লক্ষ্য হবে মঙ্গল অভিযান। ২০৩০-এর মধ্যে নাসা মঙ্গলে মানব অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। সেই কারণেই নাসা চারজন নভশ্চরকে মঙ্গলের মতো পরিবেশে বিচ্ছিন্ন ও বন্দি করে রাখার এক মিশন চালু করেছে। নাসা জানিয়েছে, আমরা বাস্তবসম্মত সিমুলেশন রাখছি।
এই মিশনে নাসার নভশ্চরদের বাস্তবিকভাবেই মঙ্গল গ্রহে থাকাকালীন যা যা করণীয়, তা করতে হচ্ছে। বালি থেকে শুরু করে থ্রি-ডি মুদ্রিত দেওয়ালে মঙ্গল গ্রহের আবাসস্থল বানানো হয়েছে। সেখানে তাঁরা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও স্বাস্থ্যসেবা অনুশীলন করবে। তাঁরা ব্যায়াম করবে, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের শক্তি বাড়াবে এবং ভূতত্ত্বের নমুনা সংগ্রহ করবে।












Click it and Unblock the Notifications