NASA in Mars: মঙ্গলে মিলল মনুষ্য জীবনের অপরিহার্য এক বস্তু, নাসার আবিষ্কারে যে সম্ভাবনা উজ্জ্বল
মঙ্গল অনুসন্ধানে নাসার কিউরিওসিটি রোভার ছুটেই চলেছে। আর উড়ে চলেছে ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার। একের পর এক তথ্য আর ছবি পাঠিয়ে যাচ্ছে তারা। সেই তথ্য আর ছবি দেখেই নাসার বিজ্ঞানীরা ভিনগ্রহে জীবনের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলে আছে কি তরল জল, আছে জীবন, তার অনুসন্ধান থেমে নেই।
এই অনুসন্ধানের মাঝেই নাসার হাতে উঠে এসেছে চমকপ্রদ এক তথ্য। নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে খুঁজে পেয়েছেন মনুষ্য জীবনের অপরিহার্য এক বস্তু। এই বস্তুই ফের ভাবনার উদ্রেক করছে যে, ভিনগ্রহে মিলতে পারে জীবনের সন্ধান। পৃথিবীর প্রতিবেশী মঙ্গল গ্রহেই থাকতে পারে জীবন।

মঙ্গলের মাটিতে এমন বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, সেই বস্তু মনুষ্য জীবনের অপরিহার্য। প্রতিটি বাড়ির রান্নাধরে তা রয়েছে। এমন বস্তু রয়েছে মঙ্গলে। এতদিন ওই বস্তুর খোঁজ মেলেনি। মঙ্গলে তা পেয়ে রীতিমতো উত্তেজিত মহাকাশ বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, নাসার কিউরিওসিটি রোভার লালা গ্রহের মাটি থেকে যে সন্ধান এনেছে, তাতে অন্য একটি সূত্রের সন্ধান মিলতে পারে। যা থেকে তাদের মনে নতুন করে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে জীবনের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা।
মঙ্গলের মাটিতে ৩৮০ কোটি বছর থেকে ৩৬০ কোটি বছর আগে ওই পদার্থ তৈরি হয়েছিল। যা বর্তমানে মাটিতে পলি পড়ার মতো জমাট বেঁধে রয়েছে। ষড়ভত আকৃতির ওই বিশাল চত্বর জুড়ে জমে রয়েছে ওই পদার্থ। জানেন কি সেই জিনিস, যা পৃথিবীতে প্রতিটি ঘরের রান্নাঘরে অপরিহার্য।
সেই পদার্থ আর কিছুই নয়, তা হল নুন। কিন্তু কী করে মঙ্গলের মাটিতে নুন এল। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, তা ভৌগলিক ও জৈবিকভাবে তৈরি হয়ে থাকতে পারে মঙ্গলের বুকে। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি ওই নুন কোটি কোটি বছর ধরে মঙ্গলের মাটিতে রয়েছে।
নাসার কিউরিওসিটি রোভার এই নতুন জিনিসের খোঁজ দেওয়ার পর থেকেই বিজ্ঞানীরা আকুল হয়ে উঠেছে জানতে, তার মানে কি কোনও সময়ে প্রাণ ছিল। এখনও কি প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে? জল ছিল, তার মানে অক্সিজেন ছিল, এখন আবার নুন পাওয়া গেল। ফলে বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা, প্রাণ ছিলই মঙ্গলে।
বিজ্ঞানীরা এখন এই নমুনা হাতে পাওয়ার চেষ্টা করছে। তাহলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানা যাবে প্রাণের অস্তিত্ব কতদিন আগে ছিল, এখনও রয়েছে কি না। ছোটো কোনও প্রাণ এখনও থাকতে পারে, সেই সম্ভাবনাই বা কতটুকু। এই নুনের সন্ধানকে হাতিয়ার করে গবেষণা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইবেন বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications