চাঁদেও মিলবে ৪জি ইন্টারনেট, আর্টেমিস মিশনের আগে নোকিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া নাসার
চাঁদেও ৪জি ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করল নাসা। নাসা চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। আর্টেমিস মিশনের আগে নোকিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল নাসা। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও মোবাইল সংস্থা নোকিয়া রিয়েল টাইম যোগাযোগ সাধন করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

চাঁদে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হবে
নোকিয়া এবং নাসা চাঁদে ৪জি ইন্টারনেট পরিষেবা আনতে দলবদ্ধ হয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যেই চাঁদে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হবে। আর্টেমিস মিশনে সহায়তার লক্ষ্য নিয়েই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মুনওয়াক করার সময় যাতে সরাসরি যোগাযোগ করা যায় নভশ্চরদের সঙ্গে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে নাসা।

চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক নাসা-নোকিয়ার
নোকিয়ার সহযোগিতায় নাসা চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে যেতে চায়। ২০২৩ সালের শেষের দিকে নাসার আর্টেমিস মিশন টু-এ স্পেস-এক্স রকেটে তা চালু হবে। চাঁদে কেন ৪জি নেটওয়ার্কের প্রয়োজন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি আর্টেমিস মিশনে সাহায্য করবে। আর্টেমিস মিশনে ২০২৫ সালে নভশ্চররা চাঁদের মাটিতে নামবেন।

রিয়েল-টাইম ভিডিও স্ট্রিমিং মিলবে
নাসা মনে করছে এই ৪জি নেটওয়ার্ক রোভারের রিমোট কন্ট্রোল, রিয়েল-টাইম ভিডিও স্ট্রিমিং এবং টেলিমেট্রি ডেটা পৃথিবীতে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হবে। চাঁদে কাজ করা মহাকাশচারীদের জন্যও এই ব্যবস্থা সহায়ক হবে। পৃথিবী থেকে তাঁদের কাজ পর্যবেক্ষণকারী বিজ্ঞানী এবং প্রকৌশলীদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে ৪জি নেওয়ার্ক।

চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে নোকিয়া
৪জি নেটওয়ার্কের প্রথম লঞ্চটি ২০২৩-এর নভেম্বরের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। প্রযুক্তিটি শুধুমাত্র মহাকাশচারী ও চাঁদের পৃষ্ঠে ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলির জন্য ব্যবহার করা হবে। নাসার টিপিং পয়েন্ট প্রোগ্রামের সাহায্যে চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক স্থাপন করছে নোকিয়া। যন্ত্রপাতি, নভোচারী ও পৃথিবীর মধ্যে যোগাযোগ দ্রুত হবে।

নোকিয়া কেন ৫জি-র পরিবর্তে ৪জি বেছে নিচ্ছে?
নাসা জানিয়েছে এই নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাঁদ থেকে পৃথিবীতে হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কল করাও সম্ভব হবে। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, নোকিয়া কেন ৫জি-র পরিবর্তে ৪জি বেছে নিচ্ছে? কারণটি অতি সহজ। এর কারণ পৃথিবীতে এখনও ভালো ৫জি নেটওয়ার্ক নেই৷ তা হলে চাঁদে তা প্রতিস্থাপন হবে কী করে!

৪জি নেটওয়ার্কের সঙ্গে নতুন অফিসও
নোকিয়া ভবিষ্যতে চাঁদে একটি ৫জি নেটওয়ার্ক চালু করতেই পারে। সে ব্যাপারে পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে আপাতত ৪জি সেরা বিকল্প। ৪জি নেটওয়ার্কের সঙ্গে মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে নতুন অফিসও তৈরি করেছে। সেই অফিসের সঙ্গে নভশচরদের সরাসরি সংযুক্ত রাখার জন্য এই নতুন নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে।

নাসার মুন টু মঙ্গল প্রোগ্রামে অফিস
নাসা সম্প্রতি নতুন অফিস গড়ে মঙ্গল ও চাঁদে মানব অভিযানের পরিকল্পনা করেছে। এই অফিসের নামকরণ করা হয়েছে নাসার মুন টু মঙ্গল প্রোগ্রামে অফিস। নাসার নয়া এই অফিস চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে মানব মহাকাশযান পরিচালনায় সহায়তা করবে। নাসা চাঁদে ও মঙ্গলে বিভিন্ন অভিযান চালানোর জন্যই এই পৃথক অফিস স্থাপন করল। এবার পরিকল্পনা হল চাঁদে ৪জি নেটওয়ার্ক নিয়ে যাওয়ার।
আইপিএলের সব খবরের আপডেট, স্কোর, স্ট্যাটিসটিক্স, ছবি, ভিডিও একনজরে












Click it and Unblock the Notifications