Moon Mission: আরও এক ‘চন্দ্রযানে’র চাঁদে পাড়ি সোমেই, চন্দ্রযান ৩-এর পর কারা পাঠাচ্ছে ল্যান্ডার
ইসরোর চন্দ্রযান ৩ চাঁদে ইতিহাস তৈরি করেছে। ভারতকে ফের তুলে ধরেছে গর্বের আসনে। মহাকাশ বিজ্ঞানে এলিট দেশে রূপান্তরিত হয়েছে ভারত। এবার ভারতকে অনুসরণ করে চাঁদে পাড়ি দিচ্ছে আরও এক ল্যান্ডার। জাপান চাঁদের মাটিতে টাচ-ডাউনের লক্ষ্যে সোমবারই উৎক্ষেপণ করছে নয়া 'চন্দ্রযান'।
চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পর আরও এক 'চন্দ্রযান' জাপানের স্লিম ল্যান্ডার পাড়ি দিতে চলেছে চাঁদের পথে। সোমবার জাপানের মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পাড়ি দিতে উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে এই ল্যান্ডার। চাঁদে নেমে টাচডাউন করে আসবে এই মহাকাশযান।

ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা দিতে জাপান উচ্চাভিলাষী হয়ে উঠেছে। স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন বা স্লিম ল্যান্ডার উৎক্ষেপণের এই মিশনটির নাম দেওয়া হয়েছে মুন স্নাইপার। জাপানিজ অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি বা জাক্সা এই মিশনে কাজ শুরু করেছে। জাক্সার লক্ষ ছোটো ও হালকা একটি মহাকাশযান নিখুঁতভাবে চাঁদে নামানো।
এই পিনপয়েন্ট ল্যান্ডিং কী? জাক্সার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চাঁদের যে জায়গায় এটি অবতরণ করবে, সেখানেই থাকবে। সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পাঠাবে। কোনও রোভার এর সঙ্গে যাবে না। স্লিম মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অবতরণে নির্ভুলতা অর্জন করা। সেই লক্ষ্য নিয়েই চাঁদে যাচ্ছে জাক্সার স্লিম ল্যান্ডার।
জাক্সার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাঁদে নামা প্রাথমিক লক্ষ্য় হলেও তাদের মিশনের লক্ষ্য শুধু এটা নয়। একটা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতই এই চন্দ্র মিশন। পৃথিবীর তুলনায় চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ অনেক কম, মাত্র এক-ষষ্ঠাংশ শক্তিশালী। সেখানে মহাকাশযান অবতরণ কঠিন করে তোলে এই বৈশিষ্ট্য।
বিজ্ঞানীরা সেইসব মাথায় রেখেই ল্যান্ডার তৈরি করেছেন। সেখান উচ্চমানের টেলিস্কোপ ও ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। চাঁদ সম্পর্কে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে চাঁদে জল রয়েছে কি না, তা জানা আবশ্যক। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জল রয়েছে কি না জানা জরুরি। এ ব্যাপারে আভাস দিয়েছিল ভারত, তারাও সেই লক্ষ্য নিয়ে চাঁদে পাড়ি দিয়েছে।
জাক্সা জানিয়েছে, জল ছাড়াও আমরা শীতল পাথর নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে চাই। চাই নির্দিষ্ট জায়গায় অবতরণ করে তা নিয়ে গবেষণা করতে। চাঁদে নির্দিষ্ট জায়গায় অবতরণ করা খুব সহজ নয়। সাধারণত যেখানে অবতরণ করবে বলে পাঠানো হয় মহাকাশযান, অবতরণে করে তার থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরে।
কিন্তু স্লিম মহাকাশযান চাঁদের ১০০ মিটারের মধ্যে অবতরণ করানোই চ্যালেঞ্জ। এই মহাকাশযানটির ওজন মাত্র ২০০ কিলোগ্রাম। আকারে ২.৪ মিটার বাই ১.৭ মিটার বাই ২.৭ মিটার। এটিকে মহাকাশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণে পাঠানো সহজ। এটির অবস্থান জানার জন্য রাডার ও ক্যামেরার মতো সরঞ্জাম রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications