Mars News: মঙ্গল গ্রহে বসবাস শুরু করেছেন ৪ জন! সত্যিই কি বাস্তব নাকি স্বপ্ন, একটি টুইস্ট
নাসা চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান শুরু করেছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০ বছর পর আবার চাঁদে যাবে মানুষ। চাঁদের মাটিতে মানুষের পা পড়ার আগে নাসা আরও একটি মিশনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই মঙ্গল গ্রহে বসবাস শুরু করেছেন চার জন মানুষ!
কী করে সম্ভব এই অসাধ্যসাধন! সত্যিই কি তবে স্বপ্নপূরণ করে ফেলল নাসা। নাসা সম্প্রতি এই দাবি করেছে। নাসার দাবি কিন্তু নেহাতই অবাস্তব নয়। তবে এক মধ্যে রয়েছে একটি টুইস্ট। নাসা যে স্বপ্ন মনে গেঁথেছে, তা বাস্তবায়নের একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিলেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহে ৪ জন মানুষের বসবাস শুরু নিয়ে মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে। সিমুলেটেড মঙ্গল বাসস্থান মিশনের কমান্ডার কেলি হ্যাস্টনের নেতৃত্বে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার রস ব্রকওয়েল, মেডিকেল অফিসার নাথান জোন্স ও বিজ্ঞান অফিসার আঙ্কা সেলারিউ মঙ্গল গ্রহে বসবাস শুরু করছেন।
তবে এই মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীতেই। পৃথিবীতেই মঙ্গল গ্রহের মতো বাসস্থান তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানেই অধিষ্ঠান করছেন চার জন। চার মানুষ অবশেষে মঙ্গল গ্রহে বসবাস করে তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করেছে। আসলে এটা হল মঙ্গলের মাটিতে বসবাস করার মতো করে নিজেদের তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নাসার।
এই নতুন মঙ্গলগ্রহের বাড়ি পৃথিবীতে রয়েছে। আর এর কারণ হল, তাঁরা লাল গ্রহে বেঁচে থাকতে এবং তাঁদের এক বছরব্যাপী মিশন জারি রাখতে তৈরি হচ্ছেন। চাঁদের মানুষ পাঠানোর পরই মঙ্গলে মানব অভিযান করবে নাসা। সেই অভিযান সফল করতেই এই নয়া মিশনের উদ্যোগ।
মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর মিশন শুরু করেছে নাসা। শুধু নাসাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মানব প্রজাতিকে আন্তঃগ্রহে পরিণত করার জন্য হাত মিলিয়েছে। কেলি হ্যাস্টনের নেতৃত্বে জনসন স্পেস সেন্টারে থ্রি-ডি প্রিন্টেড ১৭০০ বর্গফুট আবাসস্থলে তৈরি হয়েছে। গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে মানব মিশনের চ্যালেঞ্জগুলি রপ্ত করছেন এই বাসস্থানে।
এনালগ চলাকালীন তাঁরা যেভাবে থাকবেন, তাঁদের অবস্থান কী হবে, যোগাযোগ করা হবে কীভাবে, খাবারের প্রস্তুতি, ব্যায়াম, স্বাস্থ্যবিধি কার্যক্রম, রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, ব্যক্তিগত কাজ, বিজ্ঞানের কাজ এবং ঘুম কীভাবে পরিচালিত হবে তা অভ্যাস করতেই নাসা নেমেছে নয়া এই মিশনে।
আবাসস্থলের মধ্যে জোড়ায় জোড়ায় কাজ করবে ড্রোন। রোবট পরিচালনা করতে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে জরিপ করতে এবং পাথরের নমুনাগুলি শনাক্ত ও উদ্ধার করতে তা কাজে লাগবে। এই সিমুলেশনটি আমাদের মঙ্গল গ্রহে দীর্ঘমেয়াদী মিশনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications