Luna 25: চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগেই ভেঙে পড়ল রাশিয়ার চন্দ্রযান, ব্যর্থ লুনা-২৫ মিশন
রাশিয়ার চন্দ্রযান লুনা ২৫ ভেঙে পড়ল চাঁদের মাটিতে। চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগেই তা ভেঙে পড়ে। রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের তরফে জানানো হয়েছে তাদের লুনা ২৫ মিশন ব্যর্থ হয়েছে। একদিন আগেই চাঁদের একেবারে সামনে থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল লুনাকে। এদিন ফের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় রাশিয়ান চন্দ্রযান।
মাত্র ১০ দিনে চন্দ্র কক্ষপথের একেবারে শেষ ল্যাপে পৌঁছে গিয়েছিল লুনা ২৫। কিন্তু সেষ রক্ষা হল না। একেবারে শেয কক্ষপথ হ্রাস সম্পাদন করতে গিয়ে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। বাধ্য হয় আগের কক্ষপথে ফিরে আসতে। তারপর নতুন করে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল রাশিয়ার চন্দ্রযান লুনা-২৫। কিন্তু তা সফল হল না।

গত ১১ অগাস্ট চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল রাশিয়ার চন্দ্রযান লুনা-২৫। তারপর মাত্র ১০ দিনেই চাঁদের একেবারে শেষ ল্যাপে পৌঁছে গিয়েছিল এই মহাকাশযান। এক দিন পরেই অর্থাৎ ২১ জুলাই তার চাঁদের মাটিতে নামার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে লুনা ২৫-এর কক্ষপথ হ্রাসেই বিঘ্ন ঘটল।
লুনা-২৫ ভারতীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদের সর্বনিম্ন ১৮ কিমি কক্ষপথে প্রবেশ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ার পর আবার তা ফিরে যায় আগের কক্ষপথে। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশযানকে নিয়ে। রাশিয়া একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে যেভাবে বাধার মুখে পড়ল, তাতে তা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
কিন্তু তারপর রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের পক্ষ থেকে শুধু জানানো হয়েছিল, লুনা ২৫-কে পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া যায়নি। কক্ষপথ সংশোধন করা হচ্ছে। তারপর ফের ১৮ কিমির কক্ষপথে যাত্রা করবে লুনা-২৫। লুনা-২৫ যে জরুরি পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল তা রাশিয়ান মহাকাশ সংস্থার বিবৃতিতেই স্পষ্ট হয়।
এদিন ফের কক্ষপথ হ্রাস সম্পাদন করতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। চাঁদের মাটিতে ভেঙে পড়ে লুনা ২৫। ভারতের থেকে ২৯ দিন পরে যাত্রা শুরু করে চন্দ্রযান ৩-এর আগে চাঁদের মাটি ছোঁয়াই টার্গেট ছিল রাশিয়ার। মাত্র ১০ দিনের যাত্রা শেষে ১১ দিনের মাথায় ২১ অগাস্ট তাদের সফট ল্যান্ডিং করার কথা ছিল। এখন তাদের সেই মিশন ব্যর্থ হল।
সোমবারই চাঁদে নামার আগেই ক্র্যাশ করে গেল লুনা-২৫। রাশিয়ার লুনা-২৫ মিশনেরও লক্ষ্য ছিল ভারতের মতো অনাবিষ্কৃত চাঁদের দক্ষিণ মেরু। যেখানে এখনও কোনও দেশ পৌঁছতে পারেনি। আমেরিকার মহাকাশ সংস্থা নাসাই সার্ভেয়ার মিশনে সবথেকে কাছে গিয়েছিল দক্ষিণ মেরুর। নাসা গিয়েছিল ৩০ ডিগ্রি দ্রাঘিমায়। আর রাশিয়ার টার্গেট ছিল ৬৮ ডিগ্রিতে নামার। এখন দেখার নির্ধারিত ৭০ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশে নামতে পারে কি না ইসরোর চন্দ্রযান-৩।












Click it and Unblock the Notifications