ইসরোর চন্দ্রাভিযানে এবার জুড়ে গেল বাংলার নাম, চাঁদে নামতে প্ল্যান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের
একবার ব্যর্থ হয়েই থেমে থাকছে না ভারত। ফের ভারত চন্দ্রাভিযানে নামছে। এবার ইসরোর চন্দ্রাভিযানের শরিক হচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ও। ফলে চন্দ্রাভিযানে এবার যুক্ত হয়ে যাচ্ছে সরাসরি বাংলার নামও।
একবার ব্যর্থ হয়েই থেমে থাকছে না ভারত। ফের ভারত চন্দ্রাভিযানে নামছে। এবার ইসরোর চন্দ্রাভিযানের শরিক হচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ও। ফলে চন্দ্রাভিযানে এবার যুক্ত হয়ে যাচ্ছে সরাসরি বাংলার নামও। বছর তিনেক আগের ঘটনা যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে ইসরো ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসরোর সহযোগী হচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
তিন বছর আগে চাঁদের মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছিল ভারতের চন্দ্রযান বিক্রম। তারপর আশা না ছেড়ে ইসরো ঘোষণা করেছিল, আমরা হাল ছাড়ব না, আবার আমরা পাড়ি দেব চাঁদে। সেইমতো বীর বিক্রমে আবারও চন্দ্রাভিযান শুরু করতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। আর তার সহযোগী হচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসরো চাঁদে অবতরণ প্রকল্পে যাদবপুর
ইসরো এবারের চন্দ্রাভিযানে চাঁদে অবতরণ প্রকল্পে এবার নেতৃত্বে রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অমিতাভ গুপ্ত ও ইলেকট্রবনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক সায়ন চট্টোপাধ্যায়। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই তাঁরা এবার চন্দ্রাভিযান প্রকল্পে নামতে চলেছে।

চাঁদের মাটিতে অবতরণ করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা
এবার চন্দ্রাভিযানে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবার অবতরণ করার আগে বিশেষ পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি বুঝে চাঁদের বুকে নামার অপেক্ষায় থাকবে চন্দ্রযান। সে জন্য থাকবে একাধিক থ্রাস্টার। তার সাহায্যেই চাঁদের বুকে নামবে চন্দ্রযান। গতবার যেমন মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছিল বিক্রমকে। এবার যাতে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে সুসংহত পরিকল্পনা করছে ইসরো। আর এ ব্যাপারে তাদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসরোর একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে গাঁটছড়া যাদবপুরের
চন্দ্রাভিযানের আগে এমন পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে যে, অবতরণস্থলের ছবি সংগ্রহ করা হবে আগে থেকে। যাতে অবতরণস্থ থেকে সরে এলে বড় কোনও সমস্যা না হয়, সেটাও দেখা হবে। এই ইমেজিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন সায়ন চট্টোপাধ্যায়। শুধু চন্দ্রাভিযানের ক্ষেত্রে নয়, ইসরোর একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে যাদবপুর।

সরো চাঁদে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রচনা করছে
এবার থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গবেষক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের এই মহাকাশ বিজ্ঞানের কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইমতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ সহযোগিতায় এবার ইসরো চাঁদে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রচনা করছে। খুব শীঘ্রই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযানের ভুলগুলো শুধরে তৃতীয় মিশনে
দ্বিতীয় চন্দ্রাভিযানের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে তৃতীয় মিশনে নামবে ইসরো। এবার চন্দ্রযান-৩ প্রস্তুত করা হচ্ছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর আঁধার পিঠে নামানোর জন্য। ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবন জানান, এবার ল্যান্ডার চাঁদের মাটিতে অবতরণ করাতেই হবে। কোনও ভুল আর করা চলবে না। তাই সমস্ত দিক চিন্তাভাবনা করে পরিকল্পনা ছকা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications