ইসরো লঞ্চ করবে এসএসএলভি! ভারতের সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণের অপেক্ষা
ইসরো লঞ্চ করবে এসএসএলভি! ভারতের সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণের অপেক্ষা
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে চলেছে। বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে ইসরো আগামী ৭ অগাস্ট ছোট উপগ্রহ এসএসএলভি উৎক্ষপেণের পরিচালনায় নেমেছে। রকেটটি আর্থ অবজার্ভেশন স্যাটেলাইট বহন করবে এই মহাকাশ মিশনে, এমনটাই জানানো হয়েছে ইসরোর তরফে।

প্রযুক্তি নির্ভর উপগ্রহ মহাকাশে
শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ৭ অগাস্ট সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে লো আর্থ অরবিট থেকে তা উৎক্ষেপণ করা হবে। এই মহাকাশ মিশনে এই ছোট উপগ্রহে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কৃষি, বনবিদ্যা, ভূতত্ত্ব এবং জলবিদ্যা। সেইমতো প্রযুক্তি নির্ভর উপগ্রহ এবার পাঠানো হচ্ছে মহাকাশে।

এসএসএলভি কী?
মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলি অনেক সময় ছোট স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ লঞ্চ করে। তেমনই ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ডিজাইন করা হয়েছে উদীয়মান ছোট স্যাটেলাইট। তা করা হয় বাণিজ্যিক বাজারকে মাথা রেখে। এই স্যাটেলাইট দেশি ও বিদেশি গ্রাহকদের জন্য লঞ্চ অন ডিমান্ড পরিষেবা প্রদান করে।

ইসরোর প্রথম মিশন প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রকাশ
এসএসএলভি বড় মিশনের জন্য ইসরোর ওয়ার্কহর্স পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল উৎক্ষেপণ করবে মহাকাশের উদ্দেশে। প্রথম মিশনের জন্য ইসরোর তৈরি প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও লো আর্থ অরবিটে বা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ছোটো পেলোড সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখে। এই এসএসএলভি বর্তমান ইসরো প্রধান এস সোমনাথের মস্তিষ্কপ্রসূত।

এসএসএলভির ৫০০ কিলোমিটার প্ল্যানার
বর্তমান ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বিশ্বব্যাপী রকেট জাদুবিদ্যার জন্য পরিচিত। এসএসএলভিকে ৫০০ কিলোমিটার প্ল্যানার কক্ষপথ থেকে ৫০০ কেডি ওজনের একটি পেলোড চালু করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ইসরোর ওয়ার্কহর্স ৬০০ কিলোমিটার উচ্চতায় সূর্যের সিঙ্কোনাস কক্ষপথে ১৭৫০ কিলোগ্রাম পেলোড নিতে পারে।

ইসরোর লঞ্চারগুলির মধ্যে সবথেকে ছোটো
ইসরোর এসএসএলভির ৫০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত স্যাটেলাইট ভরের উৎক্ষেপণ ক্ষমতা ছাড়াও ন্যানো, মাইক্রো এবং ছোট উপগ্রহগুলির জন্য একাধিক স্যাটেলাইট মাউন্ট করার বিকল্প থাকবে। ১১০ টন ওজনের তিন স্তরের অল সলিড স্টেজ গাড়িটি ইসরোর লঞ্চারগুলির মধ্যে সবথেকে ছোটো। ইসরো এটিকে খুব দ্রুততম বাজারজাত করেছে।

রকেটটি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একত্রিত ও সংসহত করা যায়
রকেটটি মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একত্রিত ও সংহত করা যায়। সমাবেশ ক্ষেত্র থেকে লঞ্চ প্যাডে পৌঁছতে প্রায় দুই মাস সময় নেয়। ইসরো মার্চে সলিড বুস্টার স্টেজের গ্রাউন্ট টেস্টিং পরিচালনা করেছে, যা লঞ্চ ভেহিকেলকে শক্তি দেবে। ইসরো জানিয়েছে, পরীক্ষাটি প্রথম উন্নয়নমূলক ফ্লাইটের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, কেন্দ্র প্রকল্পের উন্নয়নের জন্য ১৬৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications