Chandrayaan 3: চাঁদের পথে আরও এক ধাপ অগ্রগমন, তৃতীয় চন্দ্র-কক্ষপথ কৌশল সফল ইসরোর
চাঁদের কক্ষপথে আরও এক ধাপ পাড়ি দিল ভারতের চন্দ্রযান ৩। ইসরো তৃতীয় চন্দ্র-কক্ষপথ কৌশল সফলভাবে রূপায়ণ করেছে। বুধবার দুপুর একটা থেকে দুটোর মধ্যে চাঁদের তৃতীয় কক্ষপথে স্থানান্তরিত হয় চন্দ্রযান-৩। এর ফলে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো তাদের মহাকাশযানকে চাঁদের দিকে আরও এগিয়ে দিতে সমর্থ হল।
গত ৫ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে চন্দ্রযান ৩। তারপর একে একে তৃতীয় কক্ষপথ কৌশল সম্পাদন করে ফেলল। এভাবেই চাঁদের দিকে এগিয়ে যাবে চন্দ্রযান। এবার ধীরে চলো নীতি নিয়ে এগোচ্ছে ইসরো। চন্দ্রযান ২-এর ল্যান্ডিং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে চন্দ্রযান ৩ ধার গতিতে এগিয়ে চলেছে।

চন্দ্রযান ৩ মহকাশযানের শেষ কক্ষপথ হ্রাস পদক্ষেপটি অনবোর্ড প্রপালশন সিস্টেম ব্যবহার করে পরিকল্পনা অনুয়ায়ী রবিবার সফলভাবে সম্পাদন করেছিল। চন্দ্রযান ৩-এর অর্জিত কক্ষপথ হল ১৭০ কিলোমিটারx৪৩৩১ কিলোমিটার। চন্দ্রযান ৩ মিশন একের পর এক মাইলফলক পেরিয়ে যাচ্ছে এভাবেই।
বুধবারের কৌশল সম্পাদনের পরে আরও তিন-চার ধাপ পেরিয়ে চাঁদের মাটিতে নামার কথা ইসরোর চন্দ্রযানের। চাঁদে নামার পথে ক্রমশ গতি কমানোর ধারা অব্যাহত থাকবে। ইসরো জানিয়েছে, ভারতের চন্দ্রযান-৩ মহাকাশযানটি যখন চাঁদ থেকে ১০০ কিলোমটার দূরে থাকবে, তখন জেট প্রপালশন মডিউলের ইঞ্জিন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম ডানা মেলে নামবে চাঁদের মাটিতে। ২০ মিনিটের মধ্যে চাঁদের মাটিতে নামার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে বিক্রম। চাঁদে ল্যান্ডিং করলে বিক্রমের ভিতর থেকে নেমে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। তারপর শুরু হবে প্রজ্ঞানের কাজ।

ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, সবথেকে কঠিন প্রক্রিয়া সম্পাদন হবে চন্দ্রযান-৩ চাঁদের ১০০ কিলোমটার দূরত্বে এলে। ওই ১০০ কিলোমিটার পথ খুব সাবধানে পাড়ি দিতে হবে। চন্দ্রযান ২ থেকে শিক্ষা নিয়ে এই অভিযান খুব ধীরে সুস্থে শেষ করতে চাইছে ইসরো। সমস্তরকম সাবধানতা অবলম্বন করে তারা এগোতে চাইছে।
তিনি বলেন, ২০১৯-এ চন্দ্রযান ২-এর মাধ্যমে দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা থেকে যে শিক্ষা হয়েছিল, তা-ই চন্দ্রযান ৩-কে সাফল্যের মুখ দেখাবে। সেন্সর ও দুটি ইঞ্জিন যদি খারাপও হয়ে যায় তবে সফলভাবে অবতরণ করতে পারবে চাঁদের মাটিতে।
চন্দ্রযান ৩ নিয়ে একটি প্রদর্শনীতে এস সোমনাথ বলেন, শুধু প্রপালশন ব্যবস্থা চালু থাকলেই চাঁদের মাটিকে ল্যান্ডিং করতে পারবে বিক্রম। সেই কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে বিক্রম ল্যান্ডারকে। চন্দ্রযান ২ নিয়ে যে ভুল করেছিল ইসরো, এবার তারা তা ভুলেও করবে না।












Click it and Unblock the Notifications