Heart Attack Increase: কোভিড ভ্যাকসিনের কারণে কি ভারতে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক? ICMR যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে
চিনে ২০১৯-এ শুরু হয়ে ভারতে ২০২০-র জানুয়ারিতে প্রথম কোভিড সংক্রমণ। মার্চের শেষের দিকে লকডাউন। সারা বিশ্বেই যা ছড়িয়ে পড়েছিল। ভারতের মতো অনেক দেশেই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয় এবং তা দেওয়াও হয়। ২০১-এর শুরুর দিকে স্বাস্থ্যকর্মী এবং পুলিশকর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে দেশে হঠাৎ করেই বেড়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা।
সেখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনের কারণে কি মানুষের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়েছে? আইসিএমআর এনিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছে। সেই গরেষণার প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশিত হবে সামনের মাসে অর্থাৎ জুলাইয়ে। আইসিএমআর কোভিড ভ্যাকসিনেশন আর ক্রমবর্ধমান হার্ট অ্যাকাটের মধ্যে সংযোগ বোঝার চেষ্টা করেছে।

আইসিএমআর যেসব ফলাফল পেয়েছে, সেগুলি পর্যালোচনা করে দেখছে। চলছে তা নিয়ে গবেষণাও। এব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে নিশিচত হওয়ার পরেও ফল প্রকাশ করা হবে। গবেষণা করতে গিয়ে আইসিএমআরের বেশ কিছু প্রশ্ন নিয়ে কাজ করেছে।
আইসিএমআর যে সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে, সেগুলি হল, টিকা নেওয়ার পরে মানুষ কি প্রাকৃতিক কারণে মারা গিয়েছে? কোভিড ভ্যাকসিন কি মৃত্যুর জন্য দায়ী? যে সব রোগী কোভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন, পরিস্থিতি জটিল হওয়ার কারণে তাঁর মৃত্যু, নাকি দীর্ঘ দিন ধরে কোভিডে আক্রান্ত ছিলেন?
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফল মেডিক্যাল রিসার্চ গবেষণা করতে গিয়ে ৪০ টি হাসপাতাল থেকে ক্লিনিক্যাল রেজিস্ট্রেশনের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এইমস থেকেও অনের রোগী সম্পর্কে তথ্য নিয়েছে আইসিএমআর। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৪ হাজার নমুনার মধ্যে ৬০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

এব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডভিয়া জানিয়েছেন, করোনার পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। এব্যাপারে আইসিএমআরের গবেষণার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আইসিএমআর কিছু প্রশ্নের ওপরে গত কয়েক মাস ধরে গবেষণা করছে। যা জুলাইয়ে প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ভার শুধু নিজের চাহিদা মেটাতেই শুধু নয়, রপ্তানির জন্যও ভ্যাকসিন তৈরি করেছিল। তিনি বলেন, ভারতের ভ্যাকসিন এখন বিশ্বেব্যাপী প্রশংসা পাচ্ছে। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে হৃদরোগে মৃত্যু বৃদ্ধির বিষয়টি গবেষণা করে দেখা হচ্ছে।
সাধারণভাবে পুরুষরা হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আর ৪০-৫০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ৪০ বছরের নিচে ২৫ শতাংশ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। মানসিক চাপ, রক্তচাপ, সুগার অনিয়মিত জীবনযাত্রাকে এখনও পর্যন্ত হৃদরোগের প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হয়।












Click it and Unblock the Notifications