Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নাসার পর চাঁদে মানব অভিযানে নামছে চিন, ২০৩০ সালের মধ্যেই হবে লক্ষ্যপূরণ?

নাসা ইতিমধ্যে চাঁদে মানব অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। আর্টেমিস মিশন টু-তে নাসা চাঁদের কক্ষপথে নভশ্চর পাঠাচ্ছে। তারপরই ২০২৫-এর মধ্যে নাসা চাঁদে নামাবে মহাকাশচারীদের। আর নাসাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাঁদে মানব অভিযানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলল চিন।

চিন পরিকল্পনা করেছে, ২০৩০ সালের আগে চাঁদে নভশ্চরদের নামাবে। চিন এই লক্ষ্যে চ্যাং-ই ৬ ও চ্যাং-ই ৭ মিশনের কাজ শুরু করেছে, তা চাঁদে মানুষের অবতরণের পথ প্রশস্ত করবে। চিন তার নবনির্মিত মহাকাশ স্টেশনে গবেষণা শুরু করার পরে একের পর এক মহাকাশ অভিযান করে চলেছে।

নাসার পর চাঁদে মানব অভিযানে নামছে চিন

চিন সম্প্রতি একটি একক মিশনে মঙ্গল গ্রহে একটি অরবিটার, ল্যান্ডার এবং রোভার পাঠিয়েছে। এরপর চিন চাঁদে নজর দিয়েছে। বেজিং ২০৩০ সালের মধ্যে চিনা মহাকাশচারীদের চাঁদে অবতরণের পরিকল্পনা করেছে এবং এই বিষয়ে কাজ চলছে। এছাড়াও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রকেট উন্নয়নে কাজ করছে, যা টাইকোনট বা চীনা মহাকাশচারীদের চাঁদে নিয়ে যেতে পারে।

চিন লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ২০৩০ সালকে। তারা নিশ্চিতভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে পা রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করছে। চিনের চন্দ্র অনুসন্ধানের প্রধান ডিজাইনার উ ওয়েরেন এ ব্যাপারে জানিয়েছেন, তাঁরা প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট ২০২৭ সালে পাঠাবে চাঁদের কক্ষপথে। এর পরের কয়েক বছরের মধ্যে তারা মানুষ নিয়ে যাবে চাঁদে।

চিন মনে করছে, চ্যাং-ই ৬ ও চ্যাং-ই ৭ মিশন চাঁদে মানুষ অবতরণের পথ প্রশস্ত করবে। ২০২৪ সালে চাঁদের দূরবর্তী দিক থেকে তারা চাঁদের মাটির নমুনা পুনরুদ্ধার করবে, পরবর্তী ধাপে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অন্বেষণ শুরু করবে তারা। সেখানে চিনের মহাকাশচারীরা জল খুঁজে পাবেন বলে আশা করছেন।

নাসার পর চাঁদে মানব অভিযানে নামছে চিন

চ্যাং-ই ৮ মিশন ২০২৮ সালে চালু হবে বলে চিন মনে করচে। তা চ্যাং-ই ৭-এর সঙ্গে মিলে একটি চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি স্থাপন করবে। চাইনিজ ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ২০২৪ সালে কোয়েকিও-২ কমিউনিকেশন রিলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে।

সেখানে একটি রিলে স্যাটেলাইট রয়েছে। এই স্যাটেলাইটের প্রধান কাজ হল পৃথিবীর সঙ্গে উৎক্ষেপণ হওয়া মহাকাশযানের যোগাযোগ সমস্যার সমাধান করা। চিন চাঁদের চারপাশে একটি উপগ্রহ-মণ্ডল তৈরির কাজ করছে। এটা এমন একটি সিস্টেম যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অনুসন্ধান পরিচালনা করতে যোগাযোগ, নেভিগেশন এবং দূরবর্তী অনুধাবন পরিষেবা সরবরাহ করতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ চাঁদে আর্টেমিস মিশন চালু করেছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাশিয়ার সঙ্গে মিলে চিন একটি চন্দ্র গবেষণা ঘাঁটি তৈরির কাজ করছে। মোট কথা, নাসাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা কাজ করে চলেছে। মহাকাশ অভিযানে নাসার কৃতিত্বে তারা ভাগ বসাতে তৈরি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+