China in Moon Mission: চাঁদে জোড়া মহাকাশযান পাঠাবে চিন, একটিতে যাবেন মহাকাশচারী
China in Moon Mission: চাঁদে জোড়া মহাকাশযান পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে চিন। সেই মহাকাশযানে একটিতে চাঁদে যাবেন মহাকাশচারীরা। এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া তাদের চন্দ্রমিশনে মহাকাশচারী পাঠিয়েছিল। এবার চিনও সেই উদ্যোগ নিল। চিনের দুটি রকেটের একটিতে যাবেন মহাকাশচারী, অন্যটিতে যাবে মহাকাশযান।
চিন চাঁদে মানব মিশন চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করার কয়েক মাস পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করল। নতুন পরিকল্পনায় বেজিং তার ক্রু মিশনের অংশ হিসাবে চাঁদে দুটি রকেট উৎক্ষেপণ করবে। দুটি রকেটই চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে এবং সফল ডকিংয়ের পর মহাকাশচারীরা চাঁদের পৃষ্ঠে নামার জন্য চন্দ্রের ল্যান্ডারে প্রবেশ করবে।

চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে চিনা মহাকাশচারীদের পাঠানোর পরিকল্পনার নিয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত বাধা অতিক্রম করে চিনের এই টুইন-রকেট যাবে চাঁদের উদ্দেশে। মহাকাশচারীরা তাদের বৈজ্ঞানিক কাজগুলি সম্পন্ন করার পরে নমুনা সংগ্রহ করবে।
কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে ল্যান্ডারটিই মহাকাশচারীদের প্রদক্ষিণকারী মহাকাশযানে ফেরত নিয়ে যাবে। সেখান থেকে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসবে। চিন মানব মহাকাশ অভিযানের উপ-প্রধান প্রকৌশলী ঝাং হাইলিয়ান উহানের একটি শীর্ষ সম্মেলনে একথা বলেছেন।
ভারত যখন চন্দ্রযান-৩ মিশনে চাঁদে পাড়ি দিয়েছে, তখন চিন চন্দ্র মিশনে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে নিল। ভারত যদি চাঁদের পৃষ্ঠে চন্দ্রায়ন ৩ নামাতে পারে তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চিনের পরে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসাবে ইতিহাস তৈরি করবে।

চাঁদে মানুষ পাঠানোর প্রতিযোগিতা সম্প্রতি তীব্র হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্রেব র মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আর্টেমিস মিশন শুরু করার পরই চিন মানব অভিযানের ভাবনা শুরু করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন উভয়ই চাঁদে সম্ভাব্য খনিজ সম্পদের দিকে নজর দিয়েছে। চন্দ্রের বাসস্থান স্থাপন করা, মঙ্গল গ্রহের মতো অন্যান্য গ্রহে ভবিষ্যত ক্রু মিশন চালানোর লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা।
চিন প্রযুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চাইছে। শেষ নাসা ক্রুড অবতরণ ছিল ১৯৭২ সালে। বর্তমানে মার্কিন নভোচারীরা ২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে মানব মিশনের উদ্যোগ নিয়েছে। এবার চিনও সেই উদ্যোগ নিল। চিনের চন্দ্র অভিযানের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য গবেষকরা সুপার-হেভি লং মার্চ ১০ ক্যারিয়ার রকেট, একটি নতুন প্রজন্মের ক্রুড স্পেসক্রাফ্ট, একটি চন্দ্র ল্যান্ডার ও একটি ক্রুড চন্দ্র রোভার তৈরি করছে।












Click it and Unblock the Notifications