Chandrayaan 4: লুপেক্স মিশনে চাঁদের মাটিতে বিপ্লব আনবে ভারত ও জাপান, নয়া অভিযানে ইসরো
চন্দ্রযান ৩ মিশন সাকসেসফুল। বিক্রম চাঁদের মাটিতে ল্যান্ড করার পর রোভার প্রজ্ঞান ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে। চন্দ্র-দিবস কাল নিরন্তর কাজ চালিয়ে যাবে সে। প্রজ্ঞান যে সমস্ত তথ্য পাঠাবে তার উপর ভিত্তি করে যেমন গবেষণা এগিয়ে যাবে, পরবর্তী চন্দ্রযান ৪ মিশনে বিপ্লব আনবে ভারত।
জাপানকে সঙ্গী করে ভারত যৌথভাবে লুপেক্স মিশনে নামার পরিকল্পনা করা হয়েছে. এই মিশনতে চন্দ্রযান ৪ নামেও অভিহিত করা হয়েছে। এই মিশন চাঁদের মাটিতে বিপ্লব আনবে বলে মনে করছে ইসরো। সেইমতো প্রস্ততি শুরু করে দিয়েছে ভারত ও জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

লুপেক্স বা চন্দ্রযান ৪ মিশনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল চাঁদের মেরু অঞ্চলে জলের উপস্থিতি ও ব্যবহারযোগ্যতা অনুসন্ধান করা। দুটি মৌলিক উপায় অবলম্বন করে চাঁজে জল সম্পদের পরিমাণ ও গুণমান নির্ধারণ করতে চায় ভারত ও জাপানের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তার জন্যই এই মিশন।
জলের অস্তিত্ব এবং পরিমাণের উপর নির্ভর করেই চাঁদ থেকে পরবর্তী সময়ে অবিযান চালানো যেতে পারে। সে জন্য ভারত ও জাপান ইন-সিটু পরিমাপ ও গ্রাউন্ড ট্রুথ ডেটার মাধ্যমে অনুসন্ধান চালাবে। ভবিষ্যতে চন্দ্র মিশনের জন্য পৃথিবী থেকে কতটা জল নিয়ে যেতে হতে পারে বা চাঁদে জলের উৎসের পরিমাণ কতটা, তা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
এই মিশন চন্দ্র অনুসন্ধানে অর্থনীতি ও স্থায়িত্বে বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম বলে জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। চাঁদে জল মিললে তা যেমন লাইফ সাপোর্ট দেবে, জলকে গবেষণার কাজেও লাগাতে সক্ষম হবে। জলকে কার্যকরীভাবে ব্যবহার করার জন্য সুনির্দিষ্ট পরামিতিগুলি বোঝা প্রয়োজন।

লুপেক্স মিশন সফল হলে পাতলা ফিল্মের সোলার সেল এবং অতি উচ্চশক্তি ও ঘনত্বের ব্যাটির দিয়ে সজ্জিত অত্যাধুনির মহাকাশযান মোতায়েন করা সম্ভব হবে চাঁদের মাটি থেকে। এমনকী চন্দ্র-রাতে বা অন্ধকার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এই মিশনের সাফল্য।
এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী ক্ষমতা চন্দ্র পরিবেশে রোভারের গতিশীলতা এবং জীবনীশক্তির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। লুপেক্স মিশনে কম মাধ্যাকর্ষণ মহাকাশীয় বস্তুগুলির অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। এর মধ্যে রয়েছে পরিমার্জিত গতিশীলতা, চাঁদে রাতে বেঁচে থাকার শক্তি বাড়ানো ও খনন কার্যক্রমের কৌশলের বিকাশ ঘটানো।
চাঁদের মাটিতে এই অগ্রগতির সফলে ভবিষ্যতে শুধু চন্দ্রাভিযানেই সুবিধা হবে না। মঙ্গল গ্রহ বা মহাকাশের অন্যান্য মিশনেও তা গভীরভাবে প্রভাব ফেলবে এবং সুবিধা দেবে। ভারত ও জাপানের এই যৌথ মিশন চন্দ্র-বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে বলেই আশাবাদী মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications