Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে পা দিয়েই প্রথম ছবি পাঠাল বিক্রম, যোগাযোগ স্থাপিত হল ইসরোর সঙ্গে
স্বপ্ন সফল। চাঁদের মাটিতে ইতিহাস গড়েছে ভারত। ২০১৯ থেকে বুকে পাথর চাপা ছিল, তা সরে গিয়েছে এতদিনে। চার বছরের সাধনার ফসল চন্দ্রযান ৩ মিশনের সাফল্য। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা দেওয়া। তারপরই চাঁদের প্রথম ছবি পাঠিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিক্রম।
বুধের মাহেন্দ্রক্ষণ ঠিক ৬টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা দেওয়ার পর বিক্রম জানিয়ে দিয়েছে আমি ঠিক আছি। প্রজ্ঞান রোভারকে নিয়ে আমি ঠিক সময়েই নেমে গিয়েছি চাঁদে। আর তার এই বার্তার সঙ্গে সঙ্গেই লিঙ্ক স্থাপিত হয়েছে বিক্রম ও ইসরোর মধ্যে। অর্থাৎ বিক্রমের সেন্সর কাজ করতে শুরু করেছে।

ইসরোর বার্তা পেয়ে পরক্ষণেই বিক্রম পাঠিয়ে দিয়েছে তার তোলা প্রথম ছবি। অবতরণের সময়ে তোলা ল্যান্ডারের অনুভূমিক বেগ ক্যামেরার ছবি গুলিই চাঁদের মাটিতে পা দিয়েই পৃথিবীতে পাঠানো প্রথম ছবি। এই শুরু এবার চাঁদের দেশ থেকে আমাদের দেশে কত ছবি, কত তথ্যই না আসবে, যা মহাকাশ বিজ্ঞানে আলোড়ন ফেলে দেবে।
ইসরোর বিজ্ঞানীরা ইতিহাস লিখেছেন চাঁদের মাটিতে। সফল অবতরণের পর কী ঘটবে চাঁদের মাটিতে, তা নিয়েই এবার চর্চা। অবতরণের পর চার ঘণ্টা বিশ্রামে থাকবে প্রজ্ঞান রোভার। তারপরই শুরু হবে কাজ। শুধু ল্যান্ডিংয়েই তো শেষ নয় মিশন। এই মিশনের ব্যাপ্তি অনেক বিশাল।
চাঁদের মাটিতে সফল অবতরণের পরই ল্যান্ডিং সেন্সরগুলি সিস্টেমকে জাগ্রত করতে অনবোর্ড কম্পিউটারে সংকেত দিয়েছে। গড়ে উঠেছে লিঙ্ক। ল্যান্ডারটি সম্পূর্ণরূপে শক্তি পেয়েছে এবং বিক্রম ল্যান্ডারের দরজা খুলে প্রজ্ঞান রোভার বেরিয়ে আসার অপেক্ষা। তারপর রোভার চন্দ্র-ভূমে বিচরণ শুরু করবে।
প্রজ্ঞান ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করবে। আর বিক্রম ল্যান্ডারও চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ মেরুর বিস্তীর্ণ এলাকার ছবি তুলে পাঠাবে। আসল কাজ শুরু হবে তারপর। চন্দ্রযান ৩-এর বিভিন্ন পেলোড রয়েছে, তা বিভিন্ন গবেষণা চালাতে ব্যবহার করা হবে। ইসরো জানিয়েছে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে একটি স্যাটেলাইটও বহন করা হয়েছে।
Chandrayaan-3 Mission:
— ISRO (@isro) August 23, 2023
Updates:
The communication link is established between the Ch-3 Lander and MOX-ISTRAC, Bengaluru.
Here are the images from the Lander Horizontal Velocity Camera taken during the descent. #Chandrayaan_3#Ch3 pic.twitter.com/ctjpxZmbom
রোভারের চাকায় লাগানো রয়েছে ভারতের জাতীয় স্মারক অশোক স্তম্ভ এবং ইসরোর লোগো। প্রজ্ঞান যেখানে যেখানে যাবে চাঁদের মাটিতে, সেখানেই ছাপ রেখে আসবে ভারতের। প্রজ্ঞানকে এখন চাঁদের প্রকৃতি, আবহাওয়া বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করার জন্য চার ঘণ্টার বিশ্রামে রয়েছে। এরপর এক চান্দ্র দিবস বা পৃথিবীর ১৪ দিন প্রজ্ঞান কাজ করবে নিরন্তর।
চন্দ্রালোকে চাঁদের জমিতে খোঁড়াখুঁড়িও হবে। চাঁদের মাটিতে কী কী খনিজ সম্পদ রয়েছে। সেইসবের খোঁজ করবে প্রজ্ঞান। তার সঙ্গে রয়েছে একাধিক যন্ত্রপাতি, উন্নত মানের ক্যামেরা। চাঁদের জমির চরিত্র বিশ্লেষণও করবে প্রজ্ঞান। চাঁদে জল আছে কি না পরীক্ষা করবে প্রজ্ঞান। জল থাকলে অক্সিজেন থাকবে, থাকবে জীবনও। চাঁদে উপনিবেশ স্থাপনই যে লক্ষ্য ভারতের।












Click it and Unblock the Notifications