Chandrayaan 3: চন্দ্রপৃষ্ঠে ৮ মিটার অতিক্রম করল প্রজ্ঞান, ‘মুনওয়াকে’র পরই চালু হল পেলোড
চাঁদের মাটিতে রোভার প্রজ্ঞান ৮ মিটার পথ অতিক্রম করল। প্রজ্ঞানের এই মুন-ওয়াকের পরই খুলে গেল পেলোড। রোভার পেলোড এলআউবিএস ও এপিএক্সএস চালু হয়েছে বলে ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো তাদের এক্স-বার্তায় জানিয়েছে। শুক্রবার প্রজ্ঞান রোভারের এই আপডেট এসেছে ইসরোর কাছে।
সেইসঙ্গে ইসরো জানিয়েছে, প্রপালশন মডিউল, ল্যান্ডার মডিউল বিক্রম ও রোভার মডিউল প্রজ্ঞানের সমস্ত পেলোড কাজ করতে শুরু করেছে। আলফা পার্টিকেল স্পেকট্রোমিটার বা এপিএক্সএস রাসায়নিক সংমিশ্রণ ও চন্দ্রপৃষ্ঠের খনিজ গঠনের তথ্য জানাবে।

লেজার ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ বা এনআইবিএস চন্দ্র অবতরণ স্থানের চারপাশে চাঁদের মাটি এবং শিলাগুলির মৌলিক পদার্থগুলি নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার ল্যাল্ডার পেলোডগুলিকে সক্রিয় করা হয়েছিল। ল্যান্ডিং সাইটের চারপাশে ভূমিকম্পের কার্যকলাপ পরিমাপ করবে এবং চাঁদের চারপাশে প্লাজমা পরিবেশের অস্তিত্বের সন্ধান চালাবে।

লুনার সারফেল থার্মোফিজিক্যাল এক্সপেরিমেন্ট চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপীয় বৈশিষ্ট পরিমাপ করবে। ভারত বুধবার চাঁদের মাটিতে বিক্রম ল্যান্ডার নামিযে ইতিহাস তৈরি করেছে. এই মানববিহীন ল্যান্ডার চাঁদ স্পর্শ করায় বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে এই কীর্তির স্বাক্ষর রেখেছে ইসরো। আর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ভারত পা দিয়েছে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে।
Chandrayaan-3 Mission:
— ISRO (@isro) August 25, 2023
All planned Rover movements have been verified. The Rover has successfully traversed a distance of about 8 meters.
Rover payloads LIBS and APXS are turned ON.
All payloads on the propulsion module, lander module, and rover are performing nominally.…
এদিন প্রজ্ঞানের 'মুনওয়াকে'র ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। বিক্রম থেকে নেমে এসে প্রজ্ঞান হাঁটছে চাঁদের মাটিতে। গতি সামান্যই, সেকেন্ডে ১ সেন্টিমিটার মাত্র। সেই ভিডিওই সোশ্যাল মিডিয়ার এক্স (টুইটার) মাধ্যমে প্রকাশ করেছে ইসরো।
প্রজ্ঞান এরপর ৮ মিটার পথ অতিক্রম করেছে। তারপর খুলেছে পেলোডগুলি। এখন সমস্ত পেলোড সক্রিয় হওয়ায় প্রজ্ঞানের কাজ শুরু হবে। নিরন্তর কাজ করে যাবে আরও ১২ দিন ধরে। চাঁদের মাটিতে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে নমুনা ও ছবি সংগ্রহ করবে। তা থেকে পাওয়া তথ্যই আগামীদিনে গবেষণার বিষয়বস্তু হয়ে উঠবে।
বিক্রম চাঁদের মাটিতে নামার পর শুরু হয়েছিল ধুলো ঝড়। তাই খানিক বিশ্রাম নিয়ে চন্দ্র পরিবেশকে ভালো করে পড়েই বিক্রম থেকে নেমে আসে প্রজ্ঞান। চাঁদের মাটিতে তা চলতে শুরু করেছে। রোভার তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রমের মাধ্যমে পাঠাবেইসরোতে। সেখান থেকে চাঁদ সম্বন্ধে নতুন কিছু জানার চেষ্টা চালাবেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।
ইসরো প্রজ্ঞান ও বিক্রমের পাঠানো বিভিন্ন ছবি ও ভিডি ইসরো প্রকাশ করে চলেছে চাঁদে নামার পর। তার নবতম সংযোজন প্রজ্ঞানের এই মুনওয়াক। এরপর প্রজ্ঞানের ক্যামেরায় চাঁদের আরও অত্যাশ্চর্য ছবি সামনে আসবে বলে বিশ্বাস ইসরোর। চাঁদের মাটি খুঁড়েও বহু তথ্য পাঠাবে।












Click it and Unblock the Notifications