Chandrayaan 4: চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান ৩ ইতিহাস গড়ার পর নয়া মিশনে ইসরো, কার সঙ্গে গাঁটছড়া
চন্দ্রযান ৩ মিশনে চাঁদের মাটি ছুঁয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানে এলিট গ্রুপে উত্তরণ হয়েছে ভারতের। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম দেশ হিসেবে পদার্পণ করে ইতিহাস তৈরি করেছে ইসরো। এবার নয়া অভিযানে নামার পালা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। জাপানকে সঙ্গী করে চাই চন্দ্রযান ৪-এ পাখির চোখ ইসরোর।
সম্প্রতি ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন বা ইসরো এবং জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি বা জাক্সা যৌথভাবে মহাকাশ মিশনে নামছে। লুনার পোলার এক্সপ্লোরেশন মিশন সংক্ষেপে লুপেক্স মিশনে জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ভারতও। এই লুপেক্স মিশনকে চাই চন্দ্রযান-৪ নামেও উল্লেখ করা হচ্ছে।

ভারত বুধবার চাঁদের মাটিতে ইতিহাস তৈরি করার পর যেমন সূর্য মিশনে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। শনিবারই ইসরো সূর্য অভিযানে রকেট আদিত্য-১ উৎক্ষেপণ করতে চলেছে। একইসঙ্গে মঙ্গলকেও টার্গেট করেছে ইসরো। আর সেইসঙ্গে চাঁদেও আর একটি মিশনে নামার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিল তারা।
ইসরো এবার জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চন্দ্রযান ৪-এ নজর দিতে চাইছে। চন্দ্রযান ৩ মিশন সফল। চাঁদের মাটিতে ইতিমধ্যেই বিচরণ শুরু করে দিয়েছে প্রজ্ঞান রোভার। ভারতের অশোকস্তম্ভের ছাপের পাশাপাশি ইসরোর লোগোও খোদাই করেছে প্রজ্ঞান। এবার তথ্য ও ছবি পাঠানো শুরু হয়েছে ল্যান্ডার বিক্রমের মাধ্যমে।
আগামী ১৪ দিন চাঁদের মাটিতে কাজ করবে প্রজ্ঞান। কারণ এই মিশন চলবে ততদিনই যতদিন চাঁদের মাটিতে সূর্যালোক থাকবে। চাঁদে রাত হলেই রোভার প্রজ্ঞান কাজ করা বন্ধ করে দেবে। যা করতে হবে এই ১৪ দিনের মধ্যেই। কেননা এই ১৪ দিনই চাঁদের মাটিকে সূর্যলোক থাকবে।
তবে পরবর্তী ১৪ দিন অন্ধকারে কাটার পর সূর্যালোক প্রস্ফুটিত হলেও যদি প্রজ্ঞান কাজ করে, তবে তা হবে চন্দ্রযান ৩ মিশনের বাড়তি পাওনা। এদিকে চন্দ্রযান ৩-এর প্রথম ১৪ দিনের মিশন শেষ করেই ইসরো নজর দেবে চন্দ্রযান ৪-এ। জাপানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই মিশনের গৌরচন্দ্রিকা শুরু করে দেবে ইসরো।
চাঁদে কি জল আছে, তা খুঁজে বের করতে চায় ইসরো। চন্দ্রযান ৩ মিশনের একই উদ্দেশ্য। চন্দ্রযান ১ মিশনে ইসরো দক্ষিণ মেরুতে জল রয়েছে বলে প্রমাণ দিয়েছিল। এবার তা চাক্ষুষ করতে চান ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তাই বিক্রম ও প্রজ্ঞান চাঁদের মাটিতে কাজ করছে।
এই ১৪ দিনের মিশনে যে সমস্ত তথ্য আসে, তার উপর গবেষণা চলবে। তারপর জাপানের সঙ্গে চন্দ্রযান ৪ তথা লুপেক্স মিশনে চাঁদে জল, অক্সিজেন ও উপনিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্র খুঁজবেন বিজ্ঞানীরা। লুপেক্স এই সমস্ত বিষয়ক সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে চায়, ইসরোর সঙ্গে হাত মিলিয়ে হতে চায় মিশনের পথপ্রদর্শক।
এই মিশনটি ২০২৬ সালের মধ্যেই শুরু কররা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ফের চাঁদে পাড়ি দেবে ইসরো। এবার তাদের সঙ্গী হবে জাক্সা। ২০১৯-এর ব্যর্থতা কাটিয়ে ২০২৩-এ সাফল্যের আলো দেখেছে ভারত। এবার মহাকাশ গবেষণার আরও দুয়ার খুলে দিতে চায় ভারেতর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।












Click it and Unblock the Notifications