Chandrayaan 3: নজর ওই ১৭ মিনিটেই! চন্দ্রযান ৩-এর চাঁদে অবতরণে টি-২০ ম্যাচের উন্মাদনা
যেন টি-২০ ম্যাচের উন্মাদনা। চন্দ্রযান ৩ মিশনে বিক্রম ল্যান্ডার পা রাখবে চাঁদের মাটিতে। বিক্রমের অবতরণের শেষ ১৭ মিনিটেই এখন নজর নিবদ্ধ আপামর ভারতবাসীর। ওই ১৭ মিনিটের অভিযানই ইতিহাস তৈরি করবে। সেজন্য চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিংয়েই এখন পাখির চোখ।
বুধবার বিক্রম ল্যান্ডার সন্ধ্যায় চাঁদের পৃষ্ঠে সফট ল্যান্ডিং করবে ৫টা ৪৭ মিনিট নাগাদ। ভারতে চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে প্রজ্ঞান রোভারকে নিয়ে বিক্রম ল্যান্ডার নামবে। ২৫ কিলোমিটার কক্ষপথ থেকে চাঁদের মাটিতে নেমে আসতে ১৭ মিনিট সময় নেবে। ৬টা ৪ মিনিটে তা চাঁদের মাটি ছোঁবে।

চাঁদের কক্ষপথে চন্দ্রযান ৩ প্রবেশ করেছিল ৫ অগাস্ট। ১৮ দিন চাঁদে কক্ষপথ হ্রাস কৌশস সম্পাদন করে এখন ২৫ কিলোমিটার কক্ষপথে অবস্থান করছে। সেখান থেকে টেনশনের ১৭ মিনিটের যাত্রায় চাঁদে পাড়ি দেবে বুধবার। সফলভাবে চাঁদে নামতে পারলেই ইতিহাস লিখবে ভারত।
বিক্রম ল্যান্ডারটি প্রতি সেকেন্ডে ১.৬৮ কিলোমিটার বেগে চন্দ্রপৃষ্ঠের দিকে ছুটে যাবে। ঘণ্টায় গতিবেগ ৬০৪৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। একটি বিমানের বেগের প্রায় ১০ গুণ। বিক্রম ল্যান্ডার তার সমস্ত ইঞ্জিন ফায়ার করার সঙ্গে সঙ্গে ধীর হয়ে যাবে। কিন্তু ল্যান্ডারটি চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় অনুভূমিক অূস্থানে রয়েছে। একে বলা হয় রাফ ব্রেকিং ফেজ। এই অবস্থায় স্থায়ী হয় ১১ মিনিট।
চাঁদের মাটি থেকে যখন ৮০০ মিটার উপরে থাকবে বিক্রম ল্যান্ডার, তখন আনুভূমিক অবস্থান থেকে উলম্ব অবস্থানে আসবে। বিক্রম ল্যান্ডারটি বিপদ শনাক্তকরণ ও অবতরণের সেরা স্থান অনুসন্ধান করতে করতে ১৫০ মিটার দূরত্ব থেকে নীচে নেমে আসবে।
বিক্রম চাঁদের মাটিতে সফট ল্যান্ডিং করার পর উত্তেজনার অবসান ঘটবে তখনই, যখন বিক্রম ল্যান্ডার রোভার প্রজ্ঞানের ছবি তুলে পাঠাবে। সেলফি পাঠাবে চাঁদের সঙ্গে। বিক্রম ল্যান্ডার ও রোভার প্রজ্ঞান উভয়েই সৌরশক্তিচালিত। যা চাঁদের মাটিতে নামছে এক চান্দ্রদিনে। যা পৃথিবীর ১৪ দিনের সমান।












Click it and Unblock the Notifications