Chandrayaan 3: ইসরোর চন্দ্রযানে কতটা জ্বালানি মজুত রয়েছে, চাঁদের কক্ষপথে কাটবে আর কতদিন
চন্দ্রযান ২-এর বিক্রম চাঁদে ল্যান্ড করতে ব্যর্থ হলেও জেট প্রপালশন মডিউল এখনও সক্রিয় রয়েছে কক্ষপথে। ১০০ কিলোমিটারx১০০ কিলোমিটার কক্ষপথে থেকে ভারতের চন্দ্র গবেষণায় সাহায্য করে চলেছে। চন্দ্রযান-৩ মিশনের প্রপালশন মডিউল কি দীর্ঘমেয়াদি মিশনে সফল হবে?
ল্যান্ডার বিক্রমকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া পর ১৫৩x১৬৩ কিলোমিটার কক্ষপথে রয়েছে চন্দ্রযান ৩-এর জেট প্রপালশন মডিউল। ইসরোর পাঠানো এই চন্দ্রযানে যে জ্বালানি মজুত রয়েছে, তা কি পর্যাপ্ত? ইসরোর তরফে যে তথ্য সামনে আনা হয়েছে, তাতে চাঁদের কক্ষপথে অনায়াসে দীর্ঘদিন কাজ চালাতে পারবে চন্দ্রযান ৩-এর জেট প্রপালশন মডিউল।

চন্দ্রযান ৩-এর ডেট প্রপালশন মডিউলে রয়েছে ১৫০ কেজির জ্বালানি। যা দিয়ে মাস কেন বছরভর চাঁদের কক্ষপথে বিরাজ করতে পারবে চন্দ্রযান-৩। ২৩ অগাস্ট বিক্রম ল্যান্ডারের অবতরণ করার কথা। তার আগে চন্দ্রযান-৩ থেকে মিলল সুখবর। চন্দ্রযান আরও বড়ো ইনিংস খেলতে পারবে চাঁদের আকাশে।
প্রাথমিকভাবে চাঁদের আকাশে চন্দ্রযান ৩ তিন থেকে ছ-মাস স্থায়ী হবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিক্রম বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর জানা গিয়েছে এখনও চন্দ্রযান ৩-র জেট প্রপালশন মডিউলে ১৫০ কেজিরও বেশি জ্বালানি রয়েছে। এর ফলে তা চাঁদরে আকাশে ১ বছরের বেশি সময় কাজ করতে পারবে।
এই পরিমাণ জ্বালানি মজুত থাকা প্রত্যাশার বাইরে বলে মনে করা হচ্ছে। চাঁদে যাওয়ার পথে কোথাও জ্বালানি ব্যয় করতে হয়নি। কোথাও কোনও কক্ষপথ সংযোধন করতে হয়নি। নির্বিঘ্নে তা পৌঁছে গিয়েছে চাঁদের সর্বনিম্ন ১৫৩x১৬৩ কিলোমিটার কক্ষপথে। আর তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিক্রম এখন ২৫x১৩৪ কিলোমটার কক্ষপথে রয়েছে।
ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ১৪ জুলাই উৎক্ষেপণের সময়ে ১৬৯৬ কেজি জ্বালানি ভরা হয়েছিল। এটা পৃথিবীতে পাঁচটি কক্ষপথ বৃদ্ধি কৌশল সম্পাদন করেছে এবং চাঁদে আরও পাঁচটি কক্ষপথ হ্রাস কৌশল সম্পাদন করেছে। ১৫ জুলাই থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রমগুলিতে ১৫০০ কেজির বেশি জ্বালানি খরচ হয়েছে।
চন্দ্রযান ২ অরবিটার ১৬৯৭ কোটি প্রপেলান্ট পরিবহণ করেছিল। চন্দ্রযান-৩ প্রপালশন ইউনিটের থেকে তা খানিকটা বেশি। পৃথিবীতে পাঁচটি কক্ষপথ বর্ধন কৌশল ও ট্রান্স-লুনার ইনজেকশন চালানোর সময় ৬৫৭ কেজি জ্বালানি খরচ করে চন্দ্রযান -২ অরবিটার। সেই তুলনায় চন্দ্রযান-৩ প্রপালশন মডিউল একটু বেশি জ্বালানি খরচ করে।
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছনোর পর চন্দ্রযান-২ অরবিটারটি পৃথকীকরণ কৌশলের জন্য ৭৪৯ কেজি জ্বালানির প্রয়োজন হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩ প্রপালশন ইউনিটও এক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। তারপরও যা মজুত রয়েছে তাতে এক বছর চাঁদকে প্রদক্ষিণ করতে পারবে। ইসরোর পরিকল্পনা ছিল তিন থেকে ছ-মাসের পরিক্রমার।












Click it and Unblock the Notifications