Chandrayaan 3: কাউন্ট ডাউন শুরু, জেনে নিন চন্দ্রযান-৩-তে কি কি বিশেষত্ব রয়েছে
তিরুপতি মন্দিরে পুজো দিয়ে আশির্বাদ নেওয়া হয়ে গিয়েছে। তার পরেই শ্রীহরিকোটায় শুরু হয়ে িগয়েছে চন্দ্রযান-৩-র কাউন্টডাউন। আগামী কাল অর্থাৎ ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটা থেকে চাঁদের পথে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৩। দুপুর ২টো বেজে ৪৫ মিনিটে শুরু হবে তার যাত্রা।
চন্দ্রযান-৩-র আগে চন্দ্রযান-২-র উৎক্ষেপন িকন্তু সফল হয়নি। চাঁদের অন্ধকার দকে অবতরণ করানোর কথা থাকলেও সেটা সফল হয়নি। চাঁেদর পিঠে নামার ঠিক আগেই সেটি ছিটকে বেরিয়ে যায়। কয়েক মিনিটের জন্য চন্দ্রযান-২-র অবতরণ সম্ভব হয়নি।

তাই চন্দ্রযান-র ক্ষেত্রে সেই ভুল আর করতে চান না ইসরোর বিজ্ঞানীরা। গত প্রজেক্টে যে যে ভুল হয়েছিল সেগুলি চিহ্নিক করে সংশোধন করে তারপরেই চন্দ্রযান-৩ তৈরি করা হয়েছে। সেকারণে চন্দ্রযান-৩তে একাধিক বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। তার বহু কিছু নতুন রয়েছে যা চন্দ্রযান-২এ ছিল না।
সবার আগে তো চাঁদের পিঠে কোথায় অবতরণ করবে সেই স্থানটির বদল করা হয়েছে। অর্থাৎ চন্দ্রযান-২যেখানে অবতরণ করার েচষ্টা করেছিল এবার চন্দ্রযান-৩ একটু আলাদা জায়গায় অবতরণ করবে। আগে জায়গা থেকে আরেকটু সরিয়ে অবতরণের জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে।
যে জায়গাটিকে চন্দ্রযান-৩র অবতরণের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে সেখানে প্রথম চন্দ্রযান জলের অস্তিত্বের খোঁজ পেয়েছিল। যার জেরে মহাকাশ গবেষণায় ভারত উল্লেখযোগ্য অবস্থানে চলে গিয়েছিল। চন্দ্রযান-২ চাঁদে অবতরণে সফল না হলেও চাঁদের কক্ষপথে সঠিক ভাবেই ঘুরে বেরিয়েছিল। সেকারণে চাঁদের কক্ষপথের একটা ধারনা তৈরি হয়ে িগয়েছে। চন্দ্রযান-২র চাঁদে অবতরণের ক্ষেত্রে যেগুলি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল চন্দ্রযান-৩র গঠনের ক্ষেত্রে সেগুলি একেবারেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ল্যান্ডারে জ্বালানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে যাতে দীর্ঘসময় ধরে সেটি চাঁদের মাটিতে ল্যান্ড করতে পারে। সেই সঙ্গে ল্যান্ডিংয়ের স্ট্যান্ড আরও বেশি শক্তপোক্ত করে তৈরি করা হয়েছে।
চন্দ্রযান-৩ চাঁদে অবতরণের পুরো প্রক্রিয়ািট সম্পন্ন করতে ৪২ দিন সময় লাগবে। আগামী ২৩ অগাস্ট এটির দাঁদে অবতরণ করার সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications