Chandrayaan 3: বিক্রম চাঁদের মাটিতে কখন পা রাখবে, উত্তেজিত সুনীতা উইলিয়ামস অধীর অপেক্ষায়
চন্দ্রযান ৩ মিশনে ভারত সাফল্যের প্রত্যাশী। কখন ল্যান্ডার বিক্রম নামবে চাঁদজের মাটিতে। অপেক্ষার শেষ কখন হয়, সেই জন্য শুরু হয়েছে প্রহর গোনা। তবে শুধু আপামর ভারতবাসীরাই নন, চাঁদের মাটিতে কখন পা রাখবে বিক্রম, তার জন্য উত্তেজিত ইন্দো-আমেরিকান মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসও।
মার্কিন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন ভারতের সাফল্যের জন্য। চন্দ্রযান ৩ কখন নামবে চাঁদের মাটিতে তা জানতে তিনিও উত্তেজিত। তিনিও সাফল্য কামনা করছেন ভারতের। মহাকাশচারী হিসেবে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। মহিলা মহাকাশচারী হিসেবে দীর্ঘসময় তিনি থেকেছেন মহাকাশে।

তিনি এখন অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছেন ভারতের চন্দ্রযান-৩ মিশনের ল্যান্ডার প্রজ্ঞান রোভারকে নিয়ে কখন চাঁদের মাটিতে নামেন। একটা ইতিহাস তৈরি হয়। ভারতও মহাকাশ বিজ্ঞানে এক সাফল্য-গাথা রচনা করতে পারে। তিনি চান, বিক্রম ল্যান্ডার প্রজ্ঞান রোভারকে নিয়ে চাঁদে নেমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাক।
নাসার মহাকাশচারী মহাকাশ অন্বেষণে নানা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ভারতের ভূয়সী প্রশসা করেছেন। ভারত যে মহাকাশ বিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে শুরু করেছে, তার জন্য তিনিও গর্বিত। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ইন্ডিয়ার শেয়ার করা একটি বিবৃতিতে তিনি চন্দ্র অন্বেষণের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।
সুনীতা উইলিয়ামস বলেন, ভারতের এই চন্দ্র অভিযান গ্রহের বাইরে জীবনযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য। চাঁদে অবতরণ আমাদের অমূল্য অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করবে। আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত যে ভারত মহাকাশ অন্বেষণ এবং চাঁদে জীবনযাপনের অন্বেষণে এগিয়ে রয়েছে। এটা সত্যিই একটা উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা।
সুনীতা উইলিয়ামস চাঁদে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য তাঁর উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। চন্দ্রযান ৩-এর অবতরণ ও রোভার কার্যক্রম থেকে উদ্ভূত হবে। তিনি এই প্রচেষ্টাকে চাঁদের গঠন ও ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন।
তিনি বলেন, শুধু চাঁদের মাটিতে অবতরণই নয়, বিক্রমের অবতরণের পর রোভারের নমুনা সংগ্রহ এবং তা নিয়ে গবেষণা দেখার জন্যও অপেক্ষায় রয়েছি। এটি একটি দুর্দান্ত পদক্ষেপ। চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধানের জন্য ভারতের প্রস্তুতি ব্যাখ্যা করে সুনীতা উইলিয়ামস চন্দ্রযান ৩-এর বৈজ্ঞানিক তদন্ত পরিচালনার প্রশংসা করেন।
এখানে উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে ২৫ কিলোমিটার কক্ষপথ থেকে অবতরণ শুরু করবে। ৬টা ৪ মিনিটে বিক্রম ল্যান্ডার চাঁদের মাটি ছোঁবে। সফট ল্যান্ডিংয়ের পর বিক্রমের দরজা খুলে বেরিয়ে আসবে প্রজ্ঞান রোভার। শুরু হবে চন্দ্র-অন্বেষণ।












Click it and Unblock the Notifications