Cahndrayaan 3: চাঁদের কাছের দিকে কেন অবতরণ করল বিক্রম ল্যান্ডার, কী ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীদের
চাঁদের কাছের দিকে কেন অবতরণ করল বিক্রম ল্যান্ডার? অর্থাৎ চাঁদের যেদিকটা আমরা দেখতে পাই, সেদিকেই অবতরণ করেছে ইসরোর চন্দ্রযান ৩ মিশনের বিক্রম ল্যান্ডার। চিনের চাং-ই মিশনে ল্যান্ডার কিন্তু অবতরণ করেছিল দূরের দিকে। ভারতের ইতিহাস তৈরির পরও এই বিতর্ক সামনে এসেছে।
চন্দ্রযান ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ড করতে সফল হয়েছে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এই কীর্তি গড়েছে ভারত। একইসঙ্গে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ভারত চাঁদে পা দিয়েছে। তারপরও চিন চাঁদের দূরের দিকে অবতরণের কৃতিত্ব দাবি করে নিজেদের জাহির করার চেষ্টা করছে।

বেশিরভাগ চন্দ্র অবতরণই হয় চাঁদের কাছের দিকে। চাঁদের এই কাছের দিক আর দূরের দিক কী, তা আগে স্পষ্ট করা জরুরি। কাছের দিকটি হল আমরা চাঁদের যে অংশকে দেখতে পাই। আর দূররে দিকটি হল, যা আমরা পৃথিবী থেকে দেখতে পাই না। চাঁদের ৬০ শতাংশ দৃশ্যমান হয়।
চাঁদের সর্বদা একই দিকে পৃথিবীতে দৃশ্যমান হয়। কারণ চাঁদ তার অক্ষের চারপাশে ঘুরতে একই সময় নেয়, যেমনটি পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে নেয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে, অর্ধেক চাঁদ চিরকাল অন্ধকারে থাকে। যখন চাঁদ পৃথিবীতে অদৃশ্য থাকে, তখন চাঁদের দূরের দিকে সূর্যালোক থাকে। প্রায় এক পক্ষকাল ধরে আলো থাকে।
১৯৫৫ সালে সোভিয়েত রাশিয়া মহাকাশযান লুনা ৩-র একটি ছবি তোলে। সোভিয়েত অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস এই চিত্রগুলির একটি অ্যাটলাস প্রকাশ করে। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোল ৮ মিশনে মহাকাশচারীরাই প্রথম মানুষ যাঁরা চাঁদের দূরের দিকটি দেখেছিলেন।
এখানে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক, চাঁদের দূরের দিক সকি কাছের দিকের থেকে খুব আলাদা? মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলেন, খুব বিশেষ ফারাক না থাকলেও কাছের দিকটি তুলনামূলকভাবে মসৃণ এবং দূরের দিকের তুলনায় অনেক বেশি সমভূমি রয়েছে। দূরের দিকে হাজার হাজার কিলোমিটার প্রশস্ত গর্ত রয়েছে।
কাছের দিকটি মহাকাশ অভিযানের জন্য অনেক বেশি সহায়ক। কারণ ল্যান্ডার বা রোভারদের জন্য তুলনামূলক সমতল ভুখণ্ড দরকার। চন্দ্রযান ৩ চাঁদে ল্যান্ডিং করতে ২.৪ কিমি চওড়া এবং ৪.৮ কিমি দীর্ঘ একটি এলাকা চিহ্নিত করেছিল, তার মধ্যে ১৫০ মিটার চিহ্নিত করা হয়। সেটি নিরাপদ স্থান হিসেবে দেখানো হয়। চিনের চ্যাং ই-৪ ল্যান্ডার এরমাত্র দূরের দিকে সফল অবতরণ করে।












Click it and Unblock the Notifications