ব্যবহার করলে সাবধান! বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করল পাউডারকে
পাউডার ব্যবহার করলে সাবধান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পাউডারকে বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করেছে। তারা পাউডারকে মানুষের জন্য সম্ভাব্য কার্সিনোজেনিক হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। প্রসঙ্গত কয়েক সপ্তাহ আগে একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল চ্যালকম পাউডার ব্যবহার এবং ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টার ন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার বলছে, মানুষের ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের কারণ পাউডার, তা সীমিত প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া। প্রথমে তা যদি ইঁদুরের ক্যান্সারের কারণ হয়, তাহলে তাকে পর্যাপ্ত প্রমাণ বলা যাবে। তারপর যদি তা মানুষের কোষে লক্ষণ দেখায়, তাহলে তা শক্তিশালী প্রমাণ হবে।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টার ন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, এমন অনেক গবেষণা রয়েছে, যেখানে ধারাবাহিকভাবে মহিলাদের যৌনাঙ্গে পাউডার ব্যবহার করার তা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী অ্যাসবেস্টস থাকায় পাউডার যে বিষাক্ত তা অস্বীকার করা যায় না, বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টার ন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার।
দ্য ল্যানসেট অনকোলজিতে প্রকাশিত এজেন্সির ফলাফল অনুসারে পাউডারের একটি কার্যকারণ ভূমিকা সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
আইএআরসি বলেছে, বেশিরভাগ লোক বেবি পাউডার কিংবা প্রসাধনী হিসেবে পাউডারের সংস্পর্শে আসেন। তারা আরও বলছে, যখন তা খনন করা এবং প্রক্রিয়াজাত করা কিংবা পণ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়, তখনই পাউডারের সব থেকে উল্লেখযোগ্য বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
প্রসঙ্গত ট্যালক হল প্রাকৃতিকভবে উৎপন্ন খনিজ যা সারা বিশ্বে খনন করা হয়। ট্যালক বেবি পাউডার তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়। তবে ব্রিটেনের এক পরিসংখ্যানবিদ কেভিন ম্যাককনওয়ে বলেছেন, আইএআরসির ব্যাখ্যা বিভ্রান্তিকর।
এখানে ঘন ঘন বা দীর্ঘ সময়ের জন্য যাঁরা পাউডার ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য ঝুঁকি সব থেকে বেশি। পাশাপাশি ওভারিয়ান ক্যান্সর যতক্ষণ না পর্যন্্ত পেলভিস এবং পাকস্থলি পর্্যন্ত যায়, ততক্ষণ তা শনাক্ত করা যায় না। যে কারণে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের চিকিৎসা আরও কঠিন হয়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications