মহাকাশের পরিধির সীমা জানেন? ৭১৭ ছায়াপথের আবিষ্কার কি বিজ্ঞানীদের অসীমের সন্ধান দেবে
মহাকাশের পরিধি কোথায় শেষ হয়েছে, তা কি জানেন? সম্প্রতি ৭১৭টি ছায়াপথের আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এবার কি অসীমকে জানার সুযোগ পাবেন বিজ্ঞানীরা? জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের সৌজন্যে মহাবিশ্বের সীমা খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সম্প্রতি একটি ছবি সামনে এনেছে, সেখানে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে ৬৫ হাজার গ্যালাক্সি। তাহলেই ভাবন মহাকাশের পরিধি কতটা হতে পারে। মহাকাশের কি সত্যিই শেষ আছে, যদি কোনো সীমা-পরিসীমা থাকে, তার শেষ কী রয়েছে, তাও বিস্ময়ের।

মহাকাশের পরিধিরা কত বড়ো হতে পারে, তার সঠিক উত্তর বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। এখনও বিজ্ঞানীরা তার কূল-কিনারা পাননি। তবে নতুন গবেষণা সেই অনুসন্ধানে আলো দেখাতে পারে বিজ্ঞানীদের। তাঁরা জানতে পেরেছেন মহাবিশ্বের শুরুতে ছবিটা এমন ছিল না।
সম্প্রতি অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালযের গবেষকরা জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে নতুন আবিষ্কারটি করে চমকে দিয়েছেন। সম্প্রতি নতুন এই গবেষণা রিপোর্ প্রকাশিত করেছে তারা। সেখানেই দেকা যাচ্ছে বেশ কিছু এমন গ্যালাক্সির খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা মহাবিশ্বের শুরুতে চিল না।
আবিষ্কারটির নেপথ্য ছিল বিশেষ এক কারণ। কীভাবে প্রাচীনতম ছায়াপথগুলির বিবর্তন ঘটেছে, তারা কীভাবে প্রসারিত হয়েছে, তা জানাই ছিল বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্য। তাঁরা প্রাচীনতম ছায়াপথগুলির বিবর্তন জানতে গিয়ে নতুন ছায়াপথের সন্ধান পেয়েছেন। তাও আবার একটা-আধটা নয়, ৪৫ হাজার ছায়াপথের সন্ধান মিলেছে।

বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে জানতে পেরেছেন জেমস ওয়েবের টেলিস্কোপে যে ছায়াপথের সন্ধান মিলেছে তা ৫০ মিলিয়ন থেকে ৮৫ মিলিয়ন বছরের পুরনো। অর্থাৎ তা বিগ ব্যাং-এর পরে গঠিত হয়েছিল। মহাবিশ্ব যখন গ্যাসে পরিপূর্ণ অবস্থায় ছিল, তখন এই ছায়াপথ ছিল না, তারপরে এই ছায়াপথের বিবর্তন হয়েছে।
আবার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কার থেকে ৭১৭টি নতুন ছায়াপথের সন্ধান পেয়েছেন, তা আগে ছিল না। হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তা নিয়ে গবেষণা নতুন দিশা তুলে ধরেছে মহাকাস বিজ্ঞানীদের জন্য। বিজ্ঞানীদের মতে বিগ ব্যাং-এর পর গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সমাবেশ শুরু হয়। নতুন নক্ষত্রগুলি খুব দ্রুত তৈরি হতে শুরু করে। ছাযাপথগুলিও প্রসারিত হতে থাকে। মহাকাশ হাজার হাজার ছায়াপথ তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে মহাকাশের পরিধি নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। যখনই নতুনের সন্ধান পান, তখনই বিজ্ঞানীরা ঝাঁপিয়ে পড়েন গবেষণায়। কিন্তু এখনও আহামরি কিছু জানা যায়নি এই গবেষণা থেকে।












Click it and Unblock the Notifications