এআই কি সত্যিই বিপজ্জনক? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কী বলছে আইবিএম ইন্ডিয়া
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজের বাজার সংকুচিত করছে কিংবা ভবিষ্যতেও করবে, এটাই আশঙ্কা সাধারণের মধ্যে। কিন্তু প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই বলছেন, কাজের বাজার সংকুচিত করার চেয়ে আরও বেশি চাকরির বিকল্প তৈরি করবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইবিএম ইন্ডিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সন্দীপ প্যাটেল তেমনই ব্যক্তি যিনি, কিছু সময়ের মধ্যে এআই-এ একাধিক উদ্ধাবন দেখেছেন।
সন্দীপ প্যাটেল ব্যাখ্যা করে বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন, এআই ধ্বংসের চেয়ে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করবে। তিনি বলেছেন, সম্পূর্ণ নতুন চাকরির কল্পনা করার সময় লোকেরা সাধারণভাবে খুব ভয় পান। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেছেন, যখন ইন্টারনেট পুরোপুরি এসেছে, সেই সময় ওয়েব প্রকাশনার কাজ এগিয়েছে। কিন্তু সেই সময় থেকে সংবাদপত্র ছাপানোর মতো নির্দিষ্ট সেক্টরে চাকরি কমেছে।

তিনি বলেছেন, ইন্টারনেট আসার পরে ওয়েব ডিজাইন, ডেটা সায়েন্স, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ওয়েব প্রকাশনার মতো নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। যেখানে লক্ষ লক্ষ লোক কাজের সুযোগ পেয়েছেন। আইবিএম ইন্ডিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সন্দীপ প্যাটেল বলেছেন, এক্ষেত্রে পুনঃ দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
দেশের ৪৬ শতাংশ কোম্পানি বর্তমানে অটোমেশন এবং এআই সরঞ্জামগুলির সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, ফলে অনেক কিছুতে কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেছেন, এআই এমন একটি বিষয় যা সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বলেছেন, যখন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দিকে লক্ষ্য দেওয়া যায়, তখন দেখা যায়, পঞ্চাশ শতাংশই বলছেন, তাঁরা এআই এবং অটোমেশন সরঞ্জামের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
তিনি প্রশ্ন করেছেন, তাহলে কীভাবে বিশাল জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে? নিজেই উত্তর দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেকেই তো কোডার বা এআই বিকাশকারী হবেন না। তাঁদের জন্য আরও সুযোগ রয়েছে। এই প্রযুক্তিগুলি বিকশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ করতে শিখতে হবে।
প্রসঙ্গত মাস দুয়েক আগে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর বলেছিলেন, প্রযুক্তিগত প্রতিভার কারণে এআই ভারতের অগ্রগতির চাবিকাঠি। তিনি বলেছিলেন, এআইতে প্রতিভার থেকে মৌলিক চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি রয়েছে। তিনি আরও বলেছিলেন, এআইতে মাস্টার্স এবং পিএইচডি করার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দরকার। পরিকাঠামোগত অসুবিধা দ্রুত সমাধান করা হবে। এজন্য প্রযুক্তি শিল্প এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির একসঙ্গে কাজ করার ওপরে জোর দিয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications