Aditya-L1 Mission: চাঁদে নেমেই সূর্যে পাড়ি ভারতের, আদিত্য এল-১ মিশনে কোথায় স্থাপিত হবে উপগ্রহ
Aditya-L1 Mission: চন্দ্র অভিযান সারা, এবার লক্ষ্য সূর্য-বিজয়। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো এবার সূর্যে উপগ্রহ পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। চন্দ্রযান ৩ নেমেছে চাঁদের মাটিতে। তারপর সূর্য অভিযানে নেমে আদিত্য এল-১ উপগ্রহ স্থাপন করা হবে মহাকাশে। সূর্য-বিজয়ের লক্ষ্যেই স্থাপিত হবে ওই উপগ্রহ।
ইতিমধ্যেই ইসরো জানিয়ে দিয়েছে, কবে তারা সূর্য অভিযানে আদিত্য এল-১ মিশন শুরু করছে। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার দুদিন পর ২৬ অগাস্ট পাড়ি দেবে রকেট। কিন্তু এই মিশন সাতদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর সূর্য কক্ষপথে পাড়ি দেবে আদিত্য এল-১।

তবে শুধু ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নেই এই মিশন। চন্দ্রযান চাঁদে পা দেওয়ার আগেই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওযান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। অর্থাৎ শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। রকেট প্রতিস্থাপনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। সৌর মিশনের জন্য প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হবে শীঘ্রই।
সূর্যের কক্ষপথে প্রতিষ্ঠা করা হবে ভারতের প্রথম টেলিস্কোপ। আদিত্য এল-১ নামে উপগ্রহটি সূর্য ও পৃথিবীর সিস্টেমে প্রতিস্থাপন করা হবে। পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে ল্যাগ্রঞ্জ পয়েন্টের চারপাশে একটি হ্যালো কক্ষপথে স্থাপন করা হবে উপগ্রহটি।
ইসরো জানিয়েছে, শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পিএসএলভি রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হবে আদিত্য এল-১। এই মহাকাশানটি প্রাথমিকভাবে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করা হবে। কক্ষপথটিকে আরও উপবৃত্তাকার করা হলে মহাকাশযানটি তখন অন-বোর্ড প্রপালশন ব্যবহার করে এল-১ পয়েন্টের দিকে চালু করা হবে।

মিশনটির ক্রুজ পর্ব শুরু হবে তারপর। মহাকাশযানটি দ্বিতীয় পর্বে এল-১ হ্যালো কক্ষপথে প্রবেশ করানো হবে। আদিত্য এল-১ লঞ্চ থেকে শুরু করে এল-১ পয়েন্ট পর্যন্ত ভ্রমণের মোট সময় লাগবে চার মাস। মিশনটি হ্যালো পয়েন্ট থেকে সৌর ক্রিয়াকলাপ পর্যবেক্ষণ করবে।
ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মিশনটির উদ্দেশ্য হল সূর্যের উপর বায়ুমণ্ডলীয় গতিবিদ্যা অধ্যয়ন করা। ক্রোমোস্ফিয়ারিক ও করোনাল হিটিং, আংশিকভাবে আয়নিত প্লাজমার পদার্থবিদ্যা, করোনাল ভর নির্গমনের সূচনা এবং অগ্নিশিখা অধ্যয়ন করবে। মিশনটি প্লাজমা পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করবে।
বিজ্ঞানীরা আশাবাদী সূর্যের কক্ষপথে ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট থেকে সূর্যের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। সূর্যের উপর যথাযথভাবে নজরদারি চালানো যাবে। বারবার সূর্যে যে বিস্ফোরণ হচ্ছে, তার ফলে প্রভাবিত হচ্ছে সৌরমণ্ডলের সমস্ত গ্রহ। পৃথিবীতে সেই প্রভাব কীভাবে রোধ করা যায়, কীভাবে সৌরঝড় আটকানো যায়, তা অন্যতম গবেষণায় বিষয় হয়ে উঠেছে বিজ্ঞানীদের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications