Aditya L1: সূর্যে যাওয়ার প্রস্তুতি সারা, মহড়ার পর ছবি প্রকাশ করে নতুন অভিযানের বার্তা ইসরোর
চন্দ্রযান ৩ মিশন সফল হয়েছে। এবার সূর্যে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইসরো ইতিমধ্যে সূর্যে পাড়ি দেওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে। সূর্য-জয়ের লক্ষ্যে আদিত্য এল১ মিশনের মহড়া সম্পূর্ণ করে সেই বার্তা দিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সেইসঙ্গে তাঁরা ছবি প্রকাশ করে জানিয়ে দিল নতুন অভিযান আসন্ন।
বুধবার আদিত্য এল১ মিশনের লঞ্চ রিহার্সাল বা মহড়া এবং যানবাহন পরীক্ষা সুসম্পন্ন হয়েছে। ইসরোর তরফে এদিন রকেটের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা করা হয়। উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি ইসরোর পিএসএলভি রকেট। আদিত্য এল-১ মহাকাশযান রকেটে সংযোগও করা হয়েছে।

মাঝে আর মাত্র দুদিন। তারপর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে রকেট পাড়ি দেবে সূর্যের উদ্দেশে। আদিত্য এল১ প্রথম সূর্যযান। ইসরো এই প্রথমবার যাচ্ছে সূর্য গবেষণায়। ২ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে শ্রীহরিকোটা থেকে ছাড়বে আদিত্য এল১।
এই মানমন্দিরটি সূর্যের রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণ করবে। মহাকাশের এক বিশেষ কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হবে আদিত্য এল১-কে। সূর্যের একটি নিরবচ্ছিন্ন দৃশ্য পেতে আদিত্য এল১ সূর্য ও পৃথিবীর সিস্টেমের ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ১-এর চারপাশে একটি হ্যালো কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।
রিয়েল টাইম আবহাওয়ার বিশ্লেষণ ছাড়াও মহাকাশযানটি ফটোস্ফিয়ার, ক্রোমোস্ফিয়ার এবং সূর্যের বাইরের স্তর বা করোনা পর্যবেক্ষণ করতে সাতটি পেলোড বহন করে নিয়ে যাবে। আদিত্য এল১ মহাকাশযনাটি হ্যালো পয়েন্টে পৌঁছতে সময় নেবে চার মাস। তারপরই শুরু হবে কাজ।
আদিত্য এল১ মহাকাশানটি প্রাথমিকভাবে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করা হবে। তারপর ধীরে ধীরে কক্ষপথটিকে আরও উপবৃত্তাকার করা হবে। কক্ষপথটিকে উপবৃত্তাকার করা হলে আদিত্য এল১-কে অন-বোর্ড প্রপালশন ব্যবহার করে ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ১ বা এল-১ পয়েন্টের দিকে পাঠানো হবে।

মিশনটির ক্রুজ পর্বে অর্থাৎ দ্বিতীয় পর্বে এল-১ হ্যালো কক্ষপথে প্রবেশ করানো হবে। আদিত্য এল-১ লঞ্চ থেকে শুরু করে এল-১ পয়েন্ট পর্যন্ত ভ্রমণের মোট সময় লাগবে চার মাস। ইসরো প্রথম সূর্য মিশনে হ্যালো পয়েন্ট থেকে সৌর ক্রিয়াকলাপ পর্যবেক্ষণ করবে।
এই আদিত্য এল১ মিশনটির প্রধান উদ্দেশ্য হল সূর্যের উপর বায়ুমণ্ডলীয় গতিবিদ্যা অধ্যয়ন করা। ক্রোমোস্ফিয়ারিক ও করোনাল হিটিং, আংশিকভাবে আয়নিত প্লাজমার পদার্থবিদ্যা, করোনাল ভর নির্গমনের সূচনা এবং অগ্নিশিখা অধ্যয়ন করা। মিশনটি প্লাজমা পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করবে।












Click it and Unblock the Notifications