Swedish Scientistes make living Computer: অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বিজ্ঞানীরা! তৈরি হল প্রথম 'জীবন্ত কম্পিউটার'
Swedish Scientistes make living Computer: দ্রুত গতিতে বদলাচ্ছে সময়! প্রযুক্তির দুনিয়ার অসম্ভব বলে আর কিছু নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ Artificial intelligence যেভাবে গ্রোথ করছে তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মানুষের জায়গা নিয়ে নেবে তারা।
আর সেই আশঙ্কাই ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় এক যুগান্তকারী আবিষ্কার (Swedish Scientistes make living Computer)। যা কার্যত চমকে দেবে। ভাবছেন তো কী সেই আবিস্কার?

- Swedish Scientistes make living Computer: জীবন্ত কম্পিউটার!
প্রযুক্তির যুগে বেশ কয়েকজন সুইডিশ বিজ্ঞানী একেবারে অভিনব একটি কম্পিউটার আবিষ্কার করেছে। যা নাকি জীবন্ত কম্পিউটার (World's First Living Computer)! যা কিনা মানুষের মস্তিষ্কের টিস্যু ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।কী অবাক হচ্চেন তো! হ্যাঁ, এমনই অসম্ভব এই কর্মকাণ্ড সেরে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। ভাবছেন তো কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? রইল গোটা তথ্য।
- Swedish Scientistes make living Computer: একাধিক আধুনিক ফিচার রয়েছে
বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবন্ত এই কম্পিউটারের একাধিক আধুনিক ফিচার রয়েছে। কম্পিউটার চিপের মতোই এতে তথ্য-আদান প্রদান (Swedish Scientistes make living Computer) করা যায়। বিশ্বে এমন কম্পিউটিং যদি ব্যবহার করা যায় তাহলে জ্বালানি সংকট অনেকটাই দূর হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। নয়া এই জীবন্ত কম্পিউটারের বিষয়টি সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রযুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
- Living Computer কীভাবে কাজ করে?
এহেন Living Computer বানিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে (Swedish Scientistes make living Computer) সুইডিনের সংস্থা ফাইনাল স্পার্টের বিজ্ঞানীরা। এই কম্পিউটার ল্যাবে প্রস্তুত মস্তিষ্কের কোষের মতো! ১৬টি অর্গানয়েড দিয়ে তৈরি। যা একে অপরের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর করতে সক্ষম হবে। মানুষের মস্তিষ্কের মতোই অনেকটা কাজ করবে এই Living Computer। নিউরনের মাধ্যমে সঙ্কেত পাঠাতে সক্ষম এটি। সবথেকে বড় ব্যাপার ডিজিটাল প্রোসেসের তুলনায় ১০ গুণ কম এনার্জি ইউস হয় এতে।
- Swedish Scientistes make living Computer: জীবন্ত নিউরন দিয়ে তৈরি
বিজ্ঞানীরা বলছেন, আমাদের মস্তিষ্ক ১০ থেকে ২০ ওয়াট শক্তি খরচ (Swedish Scientistes make living Computer) করে। কিন্তু আজকের কম্পিউটারগুলি (২১ মেগাওয়াট) ২.১ মিলিয়ন ওয়াট শক্তি ব্যবহার করে। ১ মেগাওয়াট ১০ লাখ ওয়াটের সমনা হয়। আর এভাবেই ২১ মেঘাওয়াট 2.1 কোটি মেগাওয়াটের সমান হয়। বলাই যেতে পারেন, মানুষের মস্তিষ্ক থেকে ১ হাজার গুণ বেশি। ফাইনাল স্পার্কের সিইও ডাঃ ফ্রেড জানান, অর্গানয়েডগুলি স্টেম থেকে তৈরি করা হয়। যা নিজেদের যত্ন নিতে পারে। শুধু তাই নয়, এই জীবন্ত কম্পিউটার 0.5 মিমি পুরু মিনি ব্রেইনগুলি দশ হাজার জীবন্ত নিউরন থেকে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাঃ ফ্রেড। তাঁর কথায়, ১০০ দিন পর্যন্ত কোষগুলি জিবন্ত থাকতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications