Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ঊর্ধ্বমুখী আবেগের পারদ, নিজেদের তৈরি উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের জন্য অপেক্ষা দেশের ৭৫০ পড়ুয়ার

ঊর্ধ্বমুখী আবেগের পারদ, নিজেদের তৈরি উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের জন্য অপেক্ষা দেশের ৭৫০ পড়ুয়ার

৭ আগস্ট সকাল ঠিক ৯.১৮ মিনিট। শ্রীহরিকোটা থেকে স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলে মহাকাশ যান রহনা দেবে। নিজেদের হাতে তৈরি স্যাটেলাইটটি আকাশে উড়তে দেখবেন শয়ে শয়ে ছাত্রী। এতদিনের পরিশ্রমে তৈরি আজাদি স্যাট ছাত্রীদের চোখের নিমিষে উধাও হয়ে যাবে। দেশের প্রথম কোনও উপগ্রহ, যা শুধু মহিলারা তৈরি করেছেন। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ইতিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে ছাত্রীরা জড়ো হতে শুরু করেছে।

আবেগের সাক্ষী আজাদি স্যাট উপগ্রহ

আবেগের সাক্ষী আজাদি স্যাট উপগ্রহ

রবিবার শ্রীহরি কোটা থেকে মহাকাশ যান ওড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসএসএলভি ডি-১ প্রকল্পের সমাপ্তি হবে। তবে এই মহাকাশ অভিযানের সফল উড্ডয়নের বৈজ্ঞানিক কৃতিত্বকে খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে আবেগের পারদের থেকে। এই মহাকাশ যানটিতে থাকবে দেশের বিভিন্ন কোনা থেকে আসা ৭৫০ জন ছাত্রীর তৈরি আজাদি স্যাট নামের একটি উপগ্রহ। প্রায় ছয় মাস ধরে ছাত্রীরা এই উপগ্রহ তৈরি করেছে। মূলত দেশের বিভিন্ন গ্রামের ছাত্রীরা এই উপগ্রহ তৈরি করেছেন। এই উপগ্রহ তৈরিতে ৭৫টি বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেছে।

আজাদি স্যাট উপগ্রহ কী

আজাদি স্যাট উপগ্রহ কী

আজাদি স্যাট আসলে একটি ছোট উপগ্রহ। ৮ কেজির এই ছোট উপগ্রহটিতে ৭৫টি পেলোড রয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সব কিছু ঠিক থাকলে ছোট উপগ্রহটি ইওএস-০২ মহাকাযান থেকে আলাদা হয়ে যাবে। আজাদি স্যাট উপগ্রহটি আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট হিসেবে কাজ করবে। ৯.১৮ মিনিট মহাকাশযান যানের নির্ধারিত উৎক্ষেপণ সময়। সঠিক সময়ে উৎক্ষেপণ হলে ১২.৩০ মিনিট নাগাদ আজাদি স্যাট মহাকাশ যান থেকে আলাদা হয়ে যাবে। পৃথিবী থেকে ৩৩৬ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশযান থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে আলাদা হয়ে গিয়ে লোয়ার আর্থ অরবিটে প্রতিস্থাপিত হবে।

এই উপগ্রহ ছাত্রীদের স্বাধীনতার উড়ান

এই উপগ্রহ ছাত্রীদের স্বাধীনতার উড়ান

চেন্নাই ভিত্তিক সংস্থা স্পেস কিডজ ইন্ডিয়া মূলত ছাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমথি কেসান বলেন, এই প্রকল্প ওই ছাত্রীদের স্বাধীনতার উড়ানের থেকে কোনও অংশে কম নয়। এই প্রথম কোনও উপগ্রহ তৈরি করা হয়েছে যা ছাত্রীরা তাদের ক্লাসরুমে তৈরি করেছে। সেই উপগ্রহ মহাকাশে যাবে। বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবে। এই প্রকল্প শুধু একটা প্রকল্প নয়। তিনি মনে করছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী ছাত্রীদের জীবন পাল্টে যেতে পারে। গ্রামের বিভিন্ন হাইস্কুলে শত প্রতিকূলতার মধ্যে ওই ছাত্রীদের করোনা মহামারীর সময় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু তারপরে এই ধরনের একটা একটা উপগ্রহ তৈরি, ছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেবে। দেশের ৭৫টি স্কুল নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। প্রতি স্কুলের ১০ জন করে ছাত্রী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য ছাত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনেক ছাত্রী এই বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারছেন না। কারণ তাঁরা পরিবার থেকে অনুমতি পাননি।

ছবি সৌ:ইনস্টাগ্রাম/ইসরো

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+