‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র আলোকে ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মুখ হিসেবে এগিয়ে রাহুলই, দাবি জোরালো
কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম পদযাত্রায় নেমেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কংগ্রেসকে যে ভেন্টিলেশন থেকে অনেকটাই বের করে দিয়েছে, তা নিশ্চিত।
কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম পদযাত্রায় নেমেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর 'ভারত জোড়ো যাত্রা' কংগ্রেসকে যে ভেন্টিলেশন থেকে অনেকটাই বের করে দিয়েছে, তা নিশ্চিত। একইসঙ্গে রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তাও অনেকটা বেড়েছে এই ভারত জোড়ো যাত্রায় দেশব্যাপী পরিক্রমা করে।

ভারত জোড়ো যাত্রা সাফল্য রাহুল গান্ধী এগিয়ে
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অধিকাংশ মনে করছেন, ভারত জোড়ো যাত্রা রাহুল গান্ধীকে ২০২৪-এর বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী মুখ হিসেবে যথেষ্ট এগিয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস নেতারা তো ফলাও করে বলছেন ভারত জোড়ো যাত্রা সাফল্য রাহুল গান্ধীকে ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মুখ হিসেবে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জার হিসেবে
বিজেপির কাছে কংগ্রেসের একের পর এক হার, তারপর বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সাফল্য, রাহুলকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছিল। রাহুলকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জার হিসেবে উঠে এসেছিলেন মমতা বন্দ্য্যোপাধ্যায় ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা। কংগ্রেস বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও রাহুল গান্ধী ক্রমেই সরে যাচ্ছিলেন লড়াই থেকে।

রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রার সাফল্য প্রশ্নাতীত
এই অবস্থায় রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো যাত্রায় নামেন। ২০২২-এর ৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী থেকে যাত্রা শুরু করে মোট ১২টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পেরিয়ে রাহুল ভারত পরিক্রমা শেষ করবেন কাশ্মীরে। সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবেন রাহুল গান্ধী। ১৫০ দিনের এই যাত্রার দুই তৃতীয়াংশ পথ পেরিয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে।

অবহেলিত নিপীড়িত মানুষেরাও শামিল রাহুলের পরিক্রমায়
আর রাহুল গান্ধী এই যাত্রাপথে দেশের সর্বস্তরের মানুষের সসর্থন পেয়েছেন। তাঁর ভারত পরিক্রমায় সঙ্গী হয়েছেন প্রশান্ত ভূষণ, রঘুরাম রাজনের মতে দিকপালরা। আবার সমাজের অবহেলিত নিপীড়িত মানুষেরাও শামিল হয়েছেন। যাঁরা বিচার পাননি, অত্যাচারের শিকার, তাঁরা জুড়েছেন রাহুলের ভারত জোড়ো-তে। নিহত সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের পরিবার থেকে শুরু করে অসহায় বহু পরিবার রাহুলকে ভরসা দিয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জার হিসেবে রাহুলই এগিয়ে
ভারত জোড়ো যাত্রার এই সাফল্যের পর কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কমলনাথ স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন, রাহুল গান্ধী শুধু ২০২৪-এ বিরোধী শিবিরের মুখ হবেন না, তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। সম্প্রতি ভারত জোড়ো যাত্রায় তিনি যে সাড়া পেয়েছেন, তারপর তাঁকে ছাড়া নরেন্দ্র মোদীর চ্যালেঞ্জার হিসেবে অন্য কাউকে ভাবা যাচ্ছে না।

ঘৃণার পরিবেশ কাটিয়ে ভালোবাসার ভরিয়ে দিতে
কমলনাথ আরও জানিয়েছেন, ক্ষমতা দখলের রাজনীতি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্য নয়, তিনি দেশের জন্য রাস্তায় নেমেছেন। তিনি খোলাখুলিই জানিয়েছেন যে যাঁর নিজের পছন্দ অনুযায়ী যে কাউকে ক্ষমতা বসাতে পারেন। কিন্তু দেশের বুকে যে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাকে তিনি ভালোবাসার ভরিয়ে দিতে চান। তার জন্য এই ভারত পরিক্রমা।












Click it and Unblock the Notifications