NoroVirus: কী এই নোরো ভাইরাস? এই ভাইরাস সম্পর্কে জেনে নিন খুঁটিনাটি
করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা দেশ-বিশ্ব কাঁপছে। এখনও এই ভাইরাসের কবলে রয়েছে বিশ্ব। চলছে লড়াই। ভারতের দক্ষিণের রাজ্য কেরলে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তারওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো এসে হাজির হয়েছে নয়া জলবাহিত ভাইরাস নোরো ভাইরাস। ইতিমধ্যে অনেক মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। মারাত্মক সংক্রমক এই ভাইরাস। ফলে আগে থেকে জেনে সতর্ক থাকা অবশ্য প্রয়োজন। একনজরে জেনে নিন নয়া এই নোরো ভাইরাস সম্পর্কে নানা জরুরি তথ্য।

নোরো ভাইরাস (NoroVirus) কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নোরো ভাইরাস হল জলবাহিত একটি ভাইরাস। একাট একটি না বলে ভাইরাসের সমষ্টি বলা যেতে পারে। পেটের রোগ হয় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে। মারাত্মক বমি হয়, ডায়রিয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্যবানদের খুব বেশি কাবু করতে পারেন না নোরো ভাইরাস। তবে শিশু, বয়স্ক এবং যাদের নানা রোগব্যাধি রয়েছে তাদের ওপর এই ভাইরাস বেশি প্রভাব বিস্তার করে।

কীভাবে ছড়ায় নোরো ভাইরাস?
জলবাহিত নোরো ভাইরাস নোংরা জল ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেও এই ভাইরাস একজনের থেকে আর একজনের দেহে প্রবেশ করবে। এমনকী আক্রান্ত ব্যক্তির বমি অন্য কারও সংস্পর্শে এলেও তা থেকে ভাইরাস ছড়ায়। সবচেয়ে আতঙ্কের যে এই ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার গতি অনেকটাই বেশি।

নোরো ভাইরাসের লক্ষণ
নোরো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে কেউ তা বুঝতে পারবেন যে লক্ষণগুলি দেখলে তা হল - ডায়রিয়া, পেটেব্যথা, বমি, গা গোলানো, জ্বর, মাথাব্যথা, গা-হাতে-পায়ে ব্যথা। বমি-ডায়রিয়া বেশি মাত্রায় হলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে।

নোরো ভাইরাসের চিকিৎসা কীভাবে?
আক্রান্ত হলে বাড়িতে বিশ্রাম নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে।
ফোটানো জল, ওআরএস খেতে হবে।
লক্ষণ চলে যাওয়ার দুদিন পরও ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের দেহে ছড়াতে পারে। তাই কয়েকদিন বিশ্রাম প্রয়োজন।
চারপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে বা খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
বাড়িতে পোষ্য থাকলে আরও সতর্ক থাকতে হবে।
খুব ভালো করে ধোয়ার পরও ফল-সবজি খেতে হবে।
কাঁকড়া, চিংড়ি বা এমন কোনও খাবার খেতে হলে অনেকক্ষণ ধরে ভালো করে ফুটিয়ে তারপর খেতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications