ন'দিনের মধ্যে যুবসাথীতে কয়েক লক্ষ আবেদন! বাড়তে পারে আবেদনের মেয়াদ, চলছে জোর জল্পনা
রাজ্যের নতুন আর্থিক সহায়তা প্রকল্প 'যুবসাথী' ঘিরে চারিদিকে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের আবেদন নেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে মাত্র ৯ দিনেই প্রায় ৭৬ লক্ষ ৭৭ হাজার আবেদন জমা পরে গিয়েছে। আজ ছিল আবেদন করার শেষ দিন। তবে নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত যে,আবেদনপত্রের ঢল দেখে সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে।

৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেটে অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। প্রথমে এটি ১৫ অগস্ট থেকে চালু হওয়ার কথা থাকলেও ১০ ফেব্রুয়ারি নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন যে, ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে 'যুবসাথী। সেই অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হচ্ছে।
এই প্রকল্পে আবেদন করতে হলে প্রার্থীর অন্তত মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। বয়স হতে হবে ২১-৪০ বছরের মধ্যে। যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অথবা যুবশ্রী সহ রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন না। তবে পড়াশোনার স্কলারশিপ অথবা বৃত্তি থাকলে তা বাধা হবে না। এই প্রকল্পে যেসমস্ত যোগ্য বেকার যুবকরা আছেন তাঁরা মাসে ১,৫০০ টাকা করে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত ভাতা পাবেন।
এর মধ্যে কেউ যদি চাকরি পেয়ে যান তাহলে এই ভাতার সুবিধা বন্ধ হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অনলাইন এবং 'স্বনির্ভর বাংলা' শিবির, দুই পথেই ফর্ম জমা দেওয়া যাচ্ছে।
জেলা অনুযায়ী আবেদন সংখ্যায় বর্তমানে এগিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তার পরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও বাঁকুড়া। সেই সঙ্গে 'স্বনির্ভর বাংলা' শিবিরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনও বেড়ে চলেছে। মাসিক অনুদান ১৫০০ টাকায় উন্নীত হওয়ায় অনেক মহিলা নতুন করে আবেদন করছেন।
সরকারি মহলের দাবি যে, তরুণ প্রজন্ম এবং মহিলাদের আর্থিক সুরক্ষা দেওয়ার জন্যেই এই উদ্যোগ। আবেদন সংখ্যাই সেই সাড়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications