মমতার 'মুখ্যমন্ত্রী পদ' বাতিল করতে গভীর ষড়যন্ত্রে নির্বাচন কমিশন! খবর পেয়েই 'ফাঁস' করলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা
বাংলায় প্রবল বিজেপি হাওয়াকে রুখে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে বাংলায় সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখেছিল মোদী-শাহরা। সেখানে মাত্র ৭৭টি আসন পেয়েই খুশি থাকতে হয়েছে শুভেন্দু-দিলীপ ঘোষদের।
বাংলায় প্রবল বিজেপি হাওয়াকে রুখে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে বাংলায় সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখেছিল মোদী-শাহরা। সেখানে মাত্র ৭৭টি আসন পেয়েই খুশি থাকতে হয়েছে শুভেন্দু-দিলীপ ঘোষদের।
একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

তবে নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু এর পিছনে গভীর কারসাজি রয়েছে বলে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি ভোট গননার দাবিতে আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়ে ছিলেন মমতা।
যদিও শেষ পর্যন্ত আইনি ঝামেলাতে আর যাননি তিনি। তবে দলের সবার সম্মতিতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন তিনি। তবে নিয়মমাফিক আগামী ছ'মাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু এই প্রসঙ্গেই এবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা তথা বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি যশবন্ত সিনহা।
একদিকে যখন ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনর দিকে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো আর ঠিক সময়ে ভয়ঙ্কর এক আশঙ্কার কথা সামনে আনলেণ তিনি। যশবন্ত সিনহার দাবি, মমতার বিধানসভায় যাওয়া আটকাতে আগামী কয়েকমাসে কোনও ভোটের আয়োজন করবে না নির্বাচন কমিশন।
এদিন টুইটে যশবন্ত সিনহা একটি 'ছোট্ট পাখি'র কথা উদ্ধৃত করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মারাত্মক এই অভিযোগ এনেছেন। লিখেছেন, তাঁর কাছে খবর এসেছে যে, আগামী ছ'মাসের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটে জিতে বিধানসভায় যাওয়া আটকাতে নির্বাচন কমিশন আগামী কয়েকমাসের মধ্যে কোনও নির্বাচনই আয়োজন করবে না।
কারণ নিয়মানুযায়ী, নন্দীগ্রামে হারায় আগামী ছ'মাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর তা ঠেকাতেই নাকি এই ষড়যন্ত্রের অংক কষা হচ্ছে বলে আশঙ্কা বাজপেয়ী সরকারের আমলে থাকা প্রাক্তন এই মন্ত্রীর। উল্লেখ্য বাংলায় ভোট ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপির কথা মতোই কমিশণ বাংলাতে আট দফা নির্বাচন করেছে বলেও অভিযোগ তোলেন। এমনকি যেখানে তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি সেখানে একাধিক দফায় ভোট করানোর মতো মারাত্মক অভিযোগও করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
শুধু তাই নয়, ভোট চলাকালীন একাধিক ইস্যুতে একাধিকবার দিল্লি আবার কখনও বাংলার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল নেতারা। কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি বএ অভিযোগ তাঁদের। এরপরেও বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় ফিরেছেন মমতা। যদিও তিনি হেরে গেলেও তাঁর জন্য জিতেও ভবানীপুর কেন্দ্র ছেড়ে দিয়েছেন শোভনদেব চট্টপধ্যায়।
আর সেই ভোট ঘিরেই আশঙ্কার কথা শোনালেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা। উল্লেখ্য, বাংলায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রেই উপনির্বাচন হওয়ার কথা। কমিশণ জানায়, করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলেও উপনির্বাচনের জন্য দিন ঘোষণা করা হবে।
সংক্রমণ কমছে সেখানে দাঁড়িয়ে কবে ভোট ঘোষণা করে কমিশণ সেদিকেই নজর।












Click it and Unblock the Notifications