তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতিতে শুধুই যশবন্ত-রাজেশ! বাংলাই নজর, বোঝালেন মমতা?

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের ব্যাপক জয় পায় তৃণমূল! আর এরপরেই তৃণমূলে অভিষেকের 'অভিষেক' হয়। কারণ এবার বিধানসভা নির্বাচনে একটা বড় দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধেই। আর তা কার্যত অসাধারণ ভাবে সামলেছেন। এরপরেই বড় দায়িত্ব পান অভিষেক।

বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের ব্যাপক জয় পায় তৃণমূল! আর এরপরেই তৃণমূলে অভিষেকের 'অভিষেক' হয়। কারণ এবার বিধানসভা নির্বাচনে একটা বড় দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধেই। আর তা কার্যত অসাধারণ ভাবে সামলেছেন। এরপরেই বড় দায়িত্ব পান অভিষেক।

বাংলাই নজর, বোঝালেন মমতা?

আর দায়িত্ব পেয়েই দেশের সমস্ত কোনায় নেত্রীর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন অভিষেক। আর সেই মতো কাজও শুরু করে দিয়েছিলেন। ত্রিপুরা, গোয়া সহ একাধিক রাজ্যে তৃণমূল সংগঠন বাড়াতে একেবারে গোড়া থেকে কাজ করছে।

আর এই অবস্থায় নতুন জাতীয় কর্মসমিতি ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

২০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে

এদিন কালীঘাটে জরুরি বৈঠক ডাকেন তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রায় এক ঘন্টার কাছাকাছি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে অভিষেক ছাড়াও ছিলেন দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। আর সেখানেই তৃণমূলের সমস্ত শীর্ষ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়। একমাত্র সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া সমস্ত পদ অবলুপ্ত হয়। সেই অনুযায়ী খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ হিসাবেও কিছু রইল না।

নতুন ২০ জনের যে তালিকা তৈরি হয়েছে তাতে রয়েছেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীমা পাত্র, অনুব্রত মন্ডল, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বুলুচিক বরাইক, রাজেশ ত্রিপাঠি, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মলয় ঘটক, সুখেন্দুশেখর রায়, গৌতম দেব, জ‍্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টাপাধ্যায়, যশবন্ত সিনহা, অরূপ বিশ্বাস।

জাতীয় কর্মসমিতিতে যশবন্ত সিনহাকে গুরু দায়িত্ব-

সর্বভারতীয় দায়িত্ব যাওয়ার পর থেকেই একাধিক রাজ্যে ছুটে গিয়েছেন অভিষেক। ইতিমধ্যে গোয়া, ত্রিপুরা ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ, কেরল, হরিয়ানাতে দলের সংগঠনকে মজবুত করার চেষ্টা করেছেন। মেঘালয়ে তৃণমূল অন্যতম প্রধান বিরোধী শক্তি হয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে এসেছেন কীর্তি আজাদ, তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন জেডিইউ সাংসদ পবন বর্মা। সমাজকর্মী সাকেত গোখলে।

এছাড়াও গোয়াতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সহ একাধিক রাজনীতিবিদ যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। এসেছেন হরিয়ানার প্রাক্তন কংগ্রেস প্রধান অশোক তানওয়ার। কার্যত সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে নিজেদের একাধিক মুখ তৈরি হয়েছে।

কিন্তু জাতীয় কর্মসমিতিতে একমাত্র যশবন্ত সিনহাকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। আর রয়েছে রাজেশ ত্রিপাঠী। বাকিরা সবাই বাংলা থেকেই। আর এখানেই প্রশ্ন তাহলে কি বাংলাকেই পাখির চোখ করছেন নেত্রী?

ঘরকে মজবুত করতে চাইছেন সুপ্রিমো

গত কয়েকদিন আগেই চেয়ারপার্সন হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন। আর এরপরেই ঘরকে শক্ত করার বার্তা দিয়েছিলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে এদিনের এই কমিটি সেই বার্তাই দিতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে তৃণমূল নেত্রী? তবে তৃণমূল সুত্রের খবর, নতুন করে কমিটি তৈরি করবেন মমতা। সেখানে ফের নতুন করে দায়িত্ব বন্টন করা হবে। সেই সময় নিশ্চয় নেত্রী দায়িত্ব ভাগ করে দেবেন বলেও জানা যাচ্ছে। তবে গোয়ার বিধানসভা ভোটের আগেই অভিষেকের পদও রইল না। সেটি প্রভাব পড়বে না তো?

একের পর এক ধাক্কা

অধীর চৌধুরী বলেন, পিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল তৃণমূল দলকে। জাতীয় রাজনীতিতে একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রথমে ত্রিপুরাতে এরপর গোয়াতে সম্ভবত ধাক্কা খেতে চলেছে। সেই খানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব কারিস্মাতে তৈরি হওয়া দল। থ্রেট আছে বলে মনে করছেন বলে দাবি কংগ্রেস সাংসদের।

অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্য থেকে এই সমস্ত সিনিয়র লিডারদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে অন্য কোনও প্ল্যানিং আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান হাত-বামদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে জুনিয়াররা সংগঠন নিতে পারেন।

পাশাপাশি বাম নেতা কৌস্তুব চট্টোপাধায় লেখেন, '' পুরো পান্তা ভাতে চিলি চিকেন। সর্বভারতীয় কমিটিতে যশবন্ত সিনহা, রাজেশ ত্রিপাঠি ছাড়া সবাই বাংলার। পুলিশকে বোম মারার উপহার পেলেন অনুব্রত। গোয়া, ত্রিপুরা, থেকে চান্স পাননি কেউ। এরপর উগান্ডা আর হনুলুলুতে ভোট লড়বে তৃণমুল। তখন ওদের বাংলার লোকজন নিয়েই ইন্টারন্যাশনাল কমিটি হবে''।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+