খুড়তুতো ভাইয়ের বন্ধুরা গণধর্ষণ করল মহিলাকে, ধৃত চার

স্থানীয় সূত্রের খবর, চার বছর আগে বসিরহাটেরই চাঁপাপুকুর গ্রামে ওই মহিলার বিয়ে হয়। তাঁর স্বামী রাঁধুনির কাজ করতেন। মহিলার বাবা-মা থাকেন আন্দামানে। স্বামী না থাকলে মেয়েকে নিয়ে তিনি বসিরহাটে রেললাইনের ধারে কাকার ঝুপড়িতে এসে থাকতেন।
গত ৩ জুন মঙ্গলবার রাতে নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে একাই ছিলেন কাকার বাড়িতে। কাকারা কেউ বাড়ি ছিল না। রাতে ফেরেনি। এই সুযোগে রাত ১১টা নাগাদ চারজন মদ্যপ যুবক দরমার দরজা ভেঙে ঢোকে। চারজনই তাঁর খুড়তুতো ভাইয়ের বন্ধু বলে মহিলার দাবি। অভিযোগ, চারজন প্রথমে ওই মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেয়। তিনি রাজি না হওয়ায় গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে পরপর ধর্ষণ করে। মহিলার গোঙানির শব্দে তাঁর মেয়ে ঘুম থেকে উঠে পড়ে। বাচ্চা মেয়েটি মায়ের অবস্থা দেখে চিৎকার করতে শুরু করলে আশপাশের ঝুপড়ি থেকে কয়েকজন বেরিয়ে আসে। কিন্তু দুষ্কৃতীরা রিভলভার তাক করে ভয় দেখালে কেউ কোনও টুঁ শব্দ না করে চলে যায়। এর পর সারা রাত ধরে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় ওই মহিলাকে। ভোরবেলা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে দুষ্কৃতীরা চলে যায়।
নির্যাতিতা মহিলা জানান, ৩ জুন ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ভয়ে পুলিশকে কিছু জানাতে পারেননি। কিন্তু এলাকার মানুষ অপবাদ দিতে শুরু করায় উৎপাত থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তল্লাশিতে নেমে পুলিশ চারজনকেই গ্রেফতার করেছে। এরা হল নুরুল আমিন মোল্লা, আরিফ মোল্লা, হাফিউল্লা এবং উৎপল মণ্ডল। ধৃতরা সকলেই রঙের মিস্ত্রি। এদের মোবাইল ফোনে কয়েকজন যুবতীর ছবিও পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের অনুমান, যে গৃহস্থ বাড়িতে এরা রং করতে যেত, সেখানে লুকিয়ে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মেয়েদের ছবি তুলত। যে মহিলা ধর্ষিত হয়েছেন, তাঁর ভাই বেলাল গাজিও রঙের মিস্ত্রি। ধর্ষণের ঘটনায় তার পরোক্ষ ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশের অনুমান। বেলাল গাজির খোঁজ চলছে।












Click it and Unblock the Notifications