চাল চোরের কী হচ্ছে? মোদীজি না থাকলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে ধরা যেত না, কটাক্ষ শুভেন্দুর
তৃণমূলের নেতা- মন্ত্রীদের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাঁকুড়ায় নির্ধারিত কর্মসূচিতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তৃণমূল বিধায়ক তন্ময় ঘোষ, সদ্য দলবদলু বিধায়ক হরকালী প্রতিহারকে আক্রমণ করলেন।
নাম না করেই বিধায়ক তন্ময় ঘোষকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। "কাল থেকে চার চোর, ধান চোরের কী হচ্ছে?" নাম না করে বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষকে এই ভাষাতেই বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বিষ্ণুপুরে দলের বিজয়া সম্মিলনীতে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন।

গত বুধবার থেকে বিধায়ক তন্ময় ঘোষের বাড়ি, অফিস, চাল কল, মদ ও ওষুধের দোকানে আয়কর বিভাগের তল্লাশি চলছে। গতকাল সন্ধেবেলার পর বাড়ি, অফিস, মদের দোকান থেকে বেরোন আয়কর আধিকারিকরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার এই খবর লেখার সময়ও চাল কলে অভিযান চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। গতকাল বিধানসভার বাইরেও শুভেন্দু অধিকারী এই বিধায়ক প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছিলেন। চাল কল নিয়ে যে অনেক সমস্যা হতে পারে। তার ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন।
এদিন সদ্য দলবদলু বিজেপির কোতুলপুরের বিধায়ক হরকালী প্রতিহারকেও এক হাত নেন। অতি সম্প্রতি দলবদল করেছেন তিনি। ২০২১ এর নির্বাচনে তাঁর 'ধার' শুভেন্দু নিজে শোধ করেছেন বলে দাবি করেন। শুভেন্দু বলেন, "এবার হরকালীর হরিবোল বলাবো।"
এদিন তিনি রাজ্যে রেশন বণ্টন দুর্নীতি নিয়েও আক্রমণাত্মক ছিলেন। শুভেন্দু বলেন, "মোদীজি ছিলেন বলেই ধান চোর, চাল চোর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আজ জেলে। না হলে তা সম্ভব হত না।" তবে এদিন কালীঘাট প্রসঙ্গ যেন অনেকটাই কম ছিল তার বক্তব্যে।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র প্রসঙ্গে বলেন, দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে যে ধরণের হটকারি ও দেশ বিরোধী কাজ এই সাংসদ করেছেন, তাতে তাঁর সাংসদ পদ যাওয়া উচিত। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের জেল হওয়া উচিত।
রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সঙ্গে জঙ্গি যোগ রয়েছে। এই অভিযোগও করেন শুভেন্দু। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি রাজি হননি। বলেন, কর্মচারীর কোনও প্রশ্নের উত্তর দেব না। আমি ওনার মালিককে হারিয়েছি।












Click it and Unblock the Notifications