শীতের রি এন্ট্রি! দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় ফের ঠান্ডার ছোঁয়া, উত্তরবঙ্গে জমে শীতের আমেজ
এই শীত তো যেন ধাঁধায় ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে। একদিন কম্বল, আরেকদিন পাখা আবহাওয়ার এই দোলাচলেই কাটছে বাংলা। সরস্বতী পুজো থেকে রবিবার পর্যন্ত পারদ নামার প্রবণতা থাকলেও দক্ষিণবঙ্গে তীব্র শীতের দাপট সেভাবে দেখা যায়নি। তবে হালকা ঠান্ডা ফিরে আসার নজর কাড়ছে এখনই।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী এক সপ্তাহে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মাঝে মাঝে পারদ খানিকটা চড়লেও শীত বিদায় নেবে এমন ইঙ্গিত মিলছে না।

নদীয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব পশ্চিম বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদে শীতের আমেজ বেশ টের পাওয়া যাবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ভোরবেলা ঘন কুয়াশা থাকলেও দুপুরের দিকে আকাশ প্রকটভাবে পরিষ্কার হওয়ার কথা।
বৃষ্টি বা ঝড় কিছুই দক্ষিণবঙ্গে আপাতত নেই ক্যালেন্ডারে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, পাকিস্তান ও জম্মু কাশ্মীরে সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পূর্বমুখী সরে আসছে। এর মাঝেই ২৬ জানুয়ারি আরেক দফা ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে, তাতে রাতের পারদ খানিক চড়বে। যদিও দিনমান ও জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত শীত ইউ টার্ন নিয়ে ফিরবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। ফেব্রুয়ারির শুরুতেও শীতের রেশ থাকবে নিশ্চিতভাবেই।
এবার চোখ উত্তরবঙ্গের দিকে। সেখানে শীত সটান নিজের ফর্মে। পাহাড়ি জেলাগুলিতে কনকনে ঠান্ডা। দার্জিলিঙে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। সমতলেও রাতের পারদ ১০ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে।
আজ জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশার সতর্কতা। দৃশ্যমানতা কমে নেমে যেতে পারে ১৯৯ মিটার থেকে সরাসরি ৫০ মিটার পর্যন্ত।
দক্ষিণবঙ্গেই শীত দ্বিতীয় স্পেল না এলেও প্রথম পর্বের নরম আমেজটুকুই ধরে রাখছে। আবহাওয়ার বদল এভাবেই চলবে আরও কিছুদিন।












Click it and Unblock the Notifications