Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ঐতিহ্যের পৌষমেলা আয়োজন থেকে কেন পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্বভারতী! 'কারণ' হিসাবে যা উঠে এলো

এই বছর থেকে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা। এই বছর এই মেলা ১২৫ বছরে পা দিত।

এই বছর থেকে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা। এই বছর এই মেলা ১২৫ বছরে পা দিত। কিন্তু মঙ্গলবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিঞ্গপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিল যে তারা আর মেলার দায়িত্ব নেবে না। মেলা পরিচালনা করার ভার যাদের ওপর থাকে সেই শান্তিনিকেতন‌ ট্রাস্টও জানিয়ে দিয়েছে যে তারাও মেলা পরিচালনা করতে পারবে না। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল ঐতিহ্যবাহী শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা। তবে কতৃপক্ষ জানিয়েছে মেলা না হলেও ৭ থেকে ৯ পৌষ নিয়ম মেনে পালিত হবে পৌষ উত্সব।

ঐতিহ্যের পৌষমেলা আয়োজন থেকে কেন পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্বভারতী! কারণ হিসাবে যা উঠে এলো

শান্তিনিকেতনের পৌষ মেলা থেকে দূষণ ছড়ায় ও এই দূষণ রোধে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন‌ পদক্ষেপ গ্রহণ করে না বলে অভিযোগ করে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন সুভাষ দত্ত। সেই মামলায় জড়ানো হয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সহ অন্যান্য আধিকারিকদের।

মঙ্গলবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি বৈঠকে বসে। সেখানে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী , বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক , কর্মী ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বভারতী। লিখিত বক্তব্যে তারা জানিয়েছে, এই বছর থেকে আর মেলার দায়িত্ব নেবে না তারা।
প্রতি বছর ৭ থেকে ৯ পৌষ মেলা হয়‌ শান্তিনিকেতনের পূর্ব পল্লী মাঠে।

এই বছর মেলা না হলেও নিয়ম মেনে পৌষ উত্সব, উপাসনা, পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মরণ, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মারক বক্তৃতা, খ্রিটোতসব পালিত হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মামলা চালাতে গেলে তাদের অনেক টাকা খরচ করতে হবে আর দূষণ পর্ষদের যে সব নিয়ম‌ আছে তার সবগুলোই মেনে মেলা পরিচালনা করা কার্যত অসম্ভব।

এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারার পর হতাশ পৌষ মেলা প্রেমী এবং বোলপুর শান্তিনিকেতন এলাকার লোকজন ও ব্যবসায়ীরা। কারন এই মেলার সাথে‌ যুক্ত ঐতিহ্য। এর সাথে জড়িত ব্যবসা। ফলে মার খাবে সব‌কিছুই।

এই বছর থেকে পৌষ মেলা হবে না জানার পরে অনেকেই দোষ দিচ্ছেন সুভাষ দত্ত কে। তবে এতে বিশেষ হেলদোল নেই সুভাষ দত্তের। তিনি বলেন, আমি তো মেলা বন্ধ করে দিতে বলিনি, বলেছি দূষণ রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে মেলা করতে।

১৮৮৮ সালে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট তৈরি করেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৮৯৪ সালে উপাসনা মন্দিরের পাশে মাঠে প্রথম বার মেলা বসে। ৭ পৌষ। সেই মেলা ছিল একদিনের। ১৯২১ সাল থেকে পৌষ মেলা হত ২ দিনের। ১৯৬১ সালে সেই মেলা উঠে আসে পূর্ব পল্লী মাঠে। তখন থেকেই সেই মেলা তিন দিনের। মূলত ‌গ্রামীণ মেলা হলেও এখন তাতে লেগেছিল আধুনিকতার ছোঁয়া। কিন্তু মূল উদ্দেশ্য ও ভাবনা থেকে পৌষ মেলা সরে আসেনি।

এই বছর এই মেলা পা দিত ১২৫ বছরে। যারা বিগত কয়েক বছরে পৌষ মেলা গিয়েছেন তারাই জানেন এই মেলার আকর্ষণ। মেলা না হলে পৌষ মেলা তাদের কাছে থাকবে স্মৃতি হয়ে। আর যারা যাননি তাদের কাছে শান্তিনিকেতন পৌষ মেলা শুধু মাত্র ইতিহাস হয়ে থাকবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+