BJP joining: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোন টানে, শুভেন্দুকে পাশে নিয়েই জানালেন মিতালি
একদিনেই ফুল বদল। ধূপগুড়িতে উপনির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, গত নির্বাচনের প্রার্থী মিতালি রায় যোগ দিলেন বিজেপিকে। শনিবার রাত পর্যন্ত যিনি ছিলেন তৃণমূলে। অভিষেকের সভাও আলো করেছিলেন। রবিবার সকাল ঘাসফুল ছেড়ে তিনি যোগ দিলেন পদ্মে।
কেন ভোটের প্রচার পর্ব শেষের দিনেই এমন দলবদল? শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী জনসভায় এসে তা ব্যক্ত করলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া মিতালি রায়। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই তিনি সক্রিয় শুভেন্দু অধিকারীর সভায়।

২০১৬ সালে মিতালি রায় তৃণমূলের টিকিটে ধূপগুড়ি বিধানসভার ভোটে জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। টিকিট পেয়েছেন ২০২১-এও। কিন্তু বিজেপির বিষ্ণুপদ রায়ের কাছে তিনি হেরে যান। মিতালির দাবি, তারপর থেকেই দলে তিনি ব্রাত্য ছিলেন। তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
এবার উপনির্বাচনে তিনি বাড়িতেই ছিলেন। এরই মধ্যে শনিবার অভিষেক বন্যোউপপাধ্যায়ের সভায় তাঁকে ডাকা হয়েছিল। তিনি চাননি তৃণমূলে আর সক্রিয় হতে। তিনি নিষ্ক্রিয় থাকতেই চেয়েছিলেন। কিন্তু জোর করে সভায় নিয়ে যাওয়া তিনি ভালো চোখে নেননি।
মিতালি বলেন, রাতেই সিদ্ধান্ত নিই আর তৃণমূলে থাকব না। বিজেপিতে যোগ দেব বলে মনস্থ করি। বিজেপির প্রতি রাজনৈতিক টান থেকে এই দলবদল নয়। বরং তৃণমূলের প্রতি ক্ষোভ থেকেই তাঁর দলবদলের সিদ্ধান্ত বলে তিনি জানান। তৃণমূল প্রায় আড়াই বছর ধরে তাঁকে ঘরে বসিয়ে রেখেছিল। সংগঠন বা প্রশাসন কোথাও কোনও কাজে লাগায়নি।
মিতালি রায় এদিন বলেন, কাজ করতে চাই বলেই বিজেপিতে এসেছি। তাঁর কথায় বাস্তব মেনেই দলবদল করেছি, আবেগের বশে নয়। সমস্ত কথাই দিদি জানতেন। কিন্তু তিনি এখন ব্যস্ত। আমাদের মতো নেতা-নেত্রীদের কথা বলার মতো সময় তাঁর নেই। অভিমানও ঝরে পড়ে তাঁর গলায়।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী ধূপগুড়ির জনসভায় এসে তাঁর খোঁজ করেছিলেন। শুভেন্দুর এই ডাক তাঁকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তারপর অভিষেকের মঞ্চে তৃণমূল তাঁকে ডাকে। তিনি যান, অভিষেকক উত্তরীয় পরিয়ে দেন। কিন্তু এই সভাতে গিয়ে তাঁর মনে হয়, দলের তাঁর সে অর্থে জায়গা নেই। তারপরে তিনি দলবদলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলেন।
তাঁর অভিযোগ, তিনি ভেবেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলবেন। কিন্তু তিনি বলেননি। তাই তাঁর মনে হয়, কাজের কোনও জায়গা নেই এই দলে। শেষমুহূর্তে তিনি বিজেপিতে যোগদান করে বিজেপির প্রার্থীর হয়ে প্রচারে শামিল হন।












Click it and Unblock the Notifications