‘চাটনি’ হয়ে মুকুলের যোগদানে জোয়ার বিজেপিতে! শেষপাতে ‘পায়েস’ হয়ে এবার কার আগমন
‘ভারতীয় রাজনীতিতে বাবা-ছেলের লড়াই নতুন নয়। এর আগে মাধবরাও সিন্ধিয়ার পরিবারে এই ঘটনা ঘটেছে। জয়ন্ত সিনহার ক্ষেত্রেও একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে।
মুকুল রায়ের বঙ্গে পা দেওয়ার আগের দিনই চাটনি সম্বোধনে তাঁকে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেই সঙ্গে তাঁর কথায় উঠেছিল এসেছিল, চাটনি ছাড়া পায়েসের প্রসঙ্গও। তাহলে কি বিজেপিতে অদূর ভবিষ্যতে যোগ দিতে চলেছেন প্রথম সারির কোনও নেতা, তা নিয়েই এখন চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

মুকুল রায়ের বিজেপিতে যোগদানের পরই, বহিষ্কৃত সিপিএম সাংসদকে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সঙ্গে। এদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতিও ঋতব্রত প্রসঙ্গে বলেছিলেন কেচ্ছা মিটিয়ে নিলে তাঁকে দলে নিতে বিজেপির কোনও অসুবিধাই নেই। সেই আঙ্গিকে ঋতব্রতর সঙ্গে অরুণ জেটলির বৈঠক বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।
এমনিতেই মুকুল রায়ের সঙ্গে সম্প্রতি ঋতব্রতর রসায়ন খুবই জমজমাট। বিশেষ করে ঋতব্রত বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই মুকুল রায়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছিল। রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছিল মুকুল রায়ই ঋতব্রতর পরামর্শদাতা বলে। এর আগে একাধিকবার ঋতব্রতকে নিয়ে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেন মুকুল রায়। তারপর অরুণ জেটলির সঙ্গেও একাধিক বৈঠকে বসেন আগে।
কিন্তু এরপরই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মামলা রুজু হয়। তাতেই পুরনো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাঁর। সম্প্রতি সহবাস মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন ঋতব্রত। তারপরই প্রকাশ্যে এসে অরুণ জেটলির সঙ্গে বৈঠক করেন। তাতেই জল্পনার পারদ চড়তে থাকে। এদিন কলকাতায় ফিরে ভবানীভবনে হাজিরা দেন ঋতব্রত। তাঁকে দীর্ঘ জেরা করা হয়।
শুধু বহিষ্কৃত সিপিএম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, অধীর চৌধুরী, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়েও এরই মাঝে জল্পনা চলছে। মুকুল রায়ের যোগদানের পর মুর্শিদাবাদে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী তোপ দেগেছেন, এবার অধীর চৌধুরীও যাবেন বিজেপিতে। কদিন আগে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও শোনা যায় মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে। যদিও শুভেন্দু অধিকারী ও অধীর চৌধুরী উভয়েই এইসব রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ঋতব্রতও।












Click it and Unblock the Notifications