Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সংগঠনের রদবদলেও 'দুর্গাশক্তি'কেই প্রাধান্য দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! একনজরে কে কোন দায়িত্বে

ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রি নিয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুইল চেয়ারে বসেই দলকে নবান্নে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। শুধু তিনি একাই নন, পিসিকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন ভাইপো অভিষেকও। বিধানসভা ভোটে বিপুল সাফল্যের পর শ

ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রি নিয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুইল চেয়ারে বসেই দলকে নবান্নে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। শুধু তিনি একাই নন, পিসিকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন ভাইপো অভিষেকও। বিধানসভা ভোটে বিপুল সাফল্যের পর শনিবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা।

ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক দলের শীর্ষ নেতারা। দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।তিনি বলেন, শ্রমিক-কৃষক-মহিলা সংগঠনের একাধিক পদে রদবদল করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে সামনে এনে বার্তা পার্থের।

মহিলা শক্তিকে প্রাধান্য

মহিলা শক্তিকে প্রাধান্য

সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক নতুন মুখ সামনে আনলেন তিনি। তবে তাৎপর্যপূর্ণ এখানেই মহিলাদের বেশি প্রাধান্য দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে সমস্ত নতুন মুখকে দলে আনলেন তাঁদের বেশিরভাগই মহিলা। যেমন সায়নী ঘোষ, সায়ান্তিকা তো রয়েছে তেমন রয়েছেণ মালা রায়, কাকলী ঘোষ দস্তিদারের মতো নেত্রীরাও। তবে দলের বর্ষীয়ান এবং অভিজ্ঞ মহিলাদের ঠেলে দিলেন জাতীয় রাজনীতি। তারাই কৌশলে চাপ বাড়াবেন মোদীর উপর। অনেকে বলছেন, দলের মধ্যে মহিলাদের প্রাধান্য দিয়ে ফের একবার বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রার্থী তালিকাতেও দিয়েছিলেন চমক

প্রার্থী তালিকাতেও দিয়েছিলেন চমক

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। রাজ্যের ৪২ টি আসনের মধ্যে ১৭টি আসনে মহিলা প্রার্থী দাঁড় করিয়ে ছিলেন তিনি। বিধানসভা ভোটেও আশা করা হয়েছিল মহিলাদের ক্ষেত্রে এবার আসন সংখ্যা বাড়াবেন নেত্রী। প্রসঙ্গত দেখা গিয়েছে বিহার নির্বাচনের মহিলা ভোটব্যাঙ্ক একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছিল। এই আবহে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। অভিনেত্রী থেকে অনেককেই নেত্রী হিসাবে ভোটে দাড় করিয়েছিলেন। গত দুটি বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে এবার মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল তৃণমূলে। সেটাই বজায় রাখলেন এবার দলের সাংগঠনিক রদবদলেও।

এক নজরে কে কোন পদে এলেন

এক নজরে কে কোন পদে এলেন

জাতীয় মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী নির্বাচিত হলেন কাকলী ঘোষ দস্তিদার। নয়া দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁকে। দায়িত্ব পেয়ে কাকলী বলেন, মহিলাদের জন্যে আরও কাজ করতে হবে। উন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিভিন্ন রাজ্য থেকে ডাক আসছে। সেদিকে তাকিয়ে এই সংগঠনকে সাজানো হয়েছে। এবার থেকে অন্যান্য রাজ্যে মহিলারা অত্যাচারিত হলেও তৃণমূল পাশে থাকবে বলে দাবি সাংসদের। অন্যদিকে বঙ্গজননীর সভানেত্রী হলেন মালা রায়। গোটা রাজ্যে মহিলাদের একজোট করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন।

ছেড়ে যাওয়া আসনে দায়িত্বে আসলে সায়নী

ছেড়ে যাওয়া আসনে দায়িত্বে আসলে সায়নী

অভিষেকের ছেড়ে যাওয়া আসনে দায়িত্বে আসলে সায়নী ঘোষ। তাঁর লড়াই দেখে তৃণমূলে বড় দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই চাপালেন সায়নী। আর এই দায়িত্ব পেয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেণ। আগামিদিনে যুবদের নিয়ে নয়া লড়াই তৈরি হবে বলে আশ্বাস সায়নী ঘোষের। মহিলাদের সামনে এনে বৃহত্তর আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি হবে বলে দাবি তাঁর।

গুরু দায়িত্বে আসলেণ দোলা সেন

গুরু দায়িত্বে আসলেণ দোলা সেন

তৃণমূলের সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনের সভানেত্রী হচ্ছেন দোলা সেন। শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি হচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েক মাস লাগাতার চা বাগানের শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছিলেন ঋতব্রত। যা দলের নজরে পড়ে। আর সেদিকে তাকিয়েই রাজ্যের শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে চাপানো হল।

রাজ্য কমিটিতে সায়ন্তিকা, গুরু দায়িত্বে রাজ

রাজ্য কমিটিতে সায়ন্তিকা, গুরু দায়িত্বে রাজ

কৃষক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি হতে চলেছেন পূর্ণেন্দু বসু। রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক হলেন কুণাল ঘোষ। এছাড়াও রাজ্য কমিটিতে আনা হল অসীম মাঝি, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, হেরে যাওয়ার পরেও বাঁকুড়াতে কাজ করে চলেছেণ সায়ন্তিকা। এছাড়াও প্রদ্যোত ঘোষ, বেচারাম মান্নাকে আনা হল রাজ্য কমিটিতে। পদ্ম শুকিয়ে বারাকপুরের সবুজায়নের যে দায়িত্ব রাজকে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, পরিচালক তাঁকে হতাশ করেননি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ তাঁর কেন্দ্রে এতটাই ভাল জনসংযোগ তৈরি করেছিলেন যে, মানুষ তাঁর উপরে আস্থা রেখেছেন। রাজ অবশ্য শুরু থেকেই প্রত্যয়ী ছিলেন নিজের জয় নিয়ে। এ বার দলের অন্দরেও তাঁর দায়িত্ব বাড়ল অনেকটাই। তৃণমূলের কালচারাল সেলের প্রধান হচ্ছেন রাজ চক্রবর্তী।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+