'সিঙ্গুরের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম'! বাংলায় BJP এলে ‘এক জেলা এক প্রোডাক্ট’ স্কিম হবে, ঘোষণা করলেন মোদী
২৬ এর নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। বাংলায় নির্বাচন জিততে ও সরকারের গদি ছিনিয়ে নিতে তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিও নেমে গেছে ময়দানে। জোর কদমে চলছে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও জনসভা। একদিকে মমতা একদিকে অভিষেক অন্যদিকে বিজেপির হয়ে সভা করছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলা দখলের লড়াইয়ে একেবারে সাপে নেউলের লড়াই চলছে বিজেপি তৃণমূলের মধ্যে। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। সেই আবহেই আজ হুগলির সিঙ্গুর সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই তিনি শিল্প এবং আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সিঙ্গুর থেকে উন্নয়ন এবং রাজনীতির বার্তা দিয়েছেন। মোদীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়ে গেছে জোর জল্পনা।

সিঙ্গুরের সভা থেকে মোদী তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যের শাসক দলকে। তিনি স্পষ্ট জানান যে, "পশ্চিমবঙ্গের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। কিন্তু বাংলার এই সরকার কেন্দ্রের প্রকল্পের সুফল গুলি মানুষের কাছে পৌঁছতে দেয় না। বিজেপি বা আমার সাথে শত্রুতা করুক কিন্তু এই তৃণমূল সরকার রাজ্যবাসীর সঙ্গেও শত্রুতা করছে।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমি প্রণাম জানাই। এইবার পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তন চাইছে মানুষ। এই ১৫ বছরে বাংলা যে ভাবে মহা-জঙ্গলরাজে পরিণত হয়েছে, সেখান থেকে পতন চায়।" তিনি আরও বলেন, বিহারে যেভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে উপড়ে ফেলে দিয়ে NDA সরকার গড়েছে, ঠিক তেমনি বাংলাতেও এই একই পরিবর্তন ঘটবে।
সিঙ্গুরের সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ঐতিহ্য রক্ষা, শিল্পের প্রসার এবং জেলার নিজস্ব শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পরিকল্পনা।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায় এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো মনীষীদের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় স্তরে উদ্যাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে তাঁর সরকার। তাঁর কথায়, "বিজেপি একদিকে যেমন উন্নয়নের কথা ভাবে, ঠিক সেরকমই দেশের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেয়।" এই দুইয়ের সমন্বয়ের ফলেই বাংলার অগ্রগতি একমাত্র সম্ভব বলে দাবিও করেন তিনি।
মোদী বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গের প্রাকৃতিক এবং মানবসম্পদ অসাধারণ। রাজ্যে রয়েছে বড় বড় নদী, দীর্ঘ উপকূলরেখা, উর্বর জমি ও প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদা সম্ভাবনা। এখানকার মানুষের মেধা এবং দক্ষতাই রাজ্যের সবথেকে বড় শক্তি। সেই কারণেই বিজেপি সরকার এলে জেলার প্রয়োজন এবং বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী আলাদা পরিকল্পনা নেওয়া হবে। যাতে স্থানীয় মানুষরা সরাসরি উপকৃত হন।
সিঙ্গুরের উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন যে, এই অঞ্চলের ধনিয়াখালি শাড়ি, পাট এবং হস্তশিল্পের বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। বিজেপির 'এক জেলা, এক পণ্য' প্রকল্পের মাধ্যমে এই ধরনের পণ্যকে আরও উৎসাহ দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে, প্লাস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে কড়া নীতিও নেওয়া হবে। পাটশিল্পকে নতুন করে চাঙ্গা করার আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
কৃষি ক্ষেত্রেও বড় সুযোগের কথা তুলে ধরেছেন মোদী। সিঙ্গুরের আলু এবং পেঁয়াজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, "দেশে-বিদেশে টাটকা এবং প্রক্রিয়াজাত সবজির চাহিদা খুব তাড়াতাড়ি বাড়ছে। সঠিক পরিকল্পনা এবং পরিকাঠামো তৈরি হলে বাংলার কৃষকরাই এই বাজারের সবচেয়ে বড় লাভবান হতে পারেন।"
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে












Click it and Unblock the Notifications