ম্যাথু স্যামুয়েলকে মির্জার কাছে 'রেফার' করা মুকুল রায়ের কী প্রতিক্রিয়া গ্রেফতারি নিয়ে
নারদ কাণ্ডে তদন্তের গতি বাড়িয়ে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের জট খুলতে ইতিমধ্যে আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।
নারদ কাণ্ডে তদন্তের গতি বাড়িয়ে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের জট খুলতে ইতিমধ্যে আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। ২০১৬ সালে নারদা স্টিং অপারেশন সামনে আসার পর এই প্রথম কাউকে গ্রেফতার করা হল। সব মিলিয়ে মোট অভিযুক্তের সংখ্যা ১৩। এরা সকলেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও না কোনওভাবে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।

এর মধ্যে যেমন শাসক নেতা রয়েছেন সেরকম রয়েছেন মির্জার মতো আইপিএস অফিসার। আইপিএস মির্জাকে গ্রেফতারের পর পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেছে। সিবিআই মির্জাকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা করবে। এর পাশাপাশি কোন কোন প্রভাবশালী এতে জড়িত তার সূত্র উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর।
স্টিং অপারেশনে একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা বর্তমানে বিজেপি দলের সদস্য মুকুল রায়কে। মির্জা গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানিয়েছেন, আইন আইনের মতো চলবে। এখানে কারও কিছু বলার নেই। তবে সাংবাদিকরা যখন তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কেন ম্যাথু স্যামুয়েলসের প্রশ্নের জবাবে মির্জার কাছে যেতে বলেছিলেন, সেই প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, আমি টাকা নিয়ে কাউকে কারও কাছে যেতে বলিনি। এটা কেউ দেখাতে পারবে না।
তাহলে তিনি কেন বলেছিলেন আইপিএস মির্রজা নাম? এই প্রসঙ্গে মুকুল বলেন, উক্ত ভদ্রলোক বর্ধমানের ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। সেই ব্যাপারে সাহায্য চাইছিলেন। আর সেজন্যই সেইসময়ের বর্ধমান পুলিশ সুপার পদে থাকা আইপিএস মির্জার কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন মুকুল রায়। এর বেশি তিনি আর কিছু জানেন না।
ঘটনা হল মুকুল রায়কেও নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। সেই সময় তিনি তৃণমূলের সদস্য ছিলেন। পরে দল বদলে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। ভিডিওতে টাকা নেওয়া আর এক তৃণমূল নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়ও কিছুদিন আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications