অর্পিতার থেকে উদ্ধার বিপুল সম্পত্তির ভবিষ্যৎ কী? আইনেই বা কী বলা রয়েছে
গত ১০ দিনের হেফাজতে অর্পিতা এবং পার্থকে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আর এরপর থেকে দফায় দফায় তাঁদের জেরা করছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতাকে জেরা করে ইতিমধ্যে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
ক্রমশ আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়ছেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। গত ১০ দিনের হেফাজতে অর্পিতা এবং পার্থকে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আর এরপর থেকে দফায় দফায় তাঁদের জেরা করছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতাকে জেরা করে ইতিমধ্যে বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
এমনকি অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার সম্পতির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, বিপুল পরিমাণ সোনাঅ পেয়েছে ইডি।

আইনে কি বলা হচ্ছে?
শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ির খোঁজ পেয়েছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। অডি থেকে শুরু করে কোটি টাকার কাছাকাছি মূল্যের গাড়ি রয়েছে। কিন্তু সেই তদন্তের মধ্যেই রহস্যজনক ভাবে সেই গাড়ি গুলির খোঁজ পাচ্ছেন না তদন্তকারীরা। হঠাত উধাও কীভাবে গাড়িগুলি? সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও একাধিক ভুয়ো সংস্থার খোঁজ পেয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। যাদের ডিরেক্টররা এই মুহূর্তে ইডির র্যাডারে। তবে কয়েক দফার তল্লাশিতে যে বিপুল নগদ টাকা-সোনা উদ্ধার হয়েছে সেগুলি ফেরত পাবেন অর্পিতা? আইনে কি বলা হচ্ছে? কি হবে সেগুলির?

সম্পত্তি কি সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে?
অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা এবং গয়না এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কাছে রয়েছে। ইতিমধ্যে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হয়েছে। সেই মামলাতে চলছে তল্লাশি। আর এই আইনের অধীনে বিপুল নগদ, গয়না, বাড়ি এবং গাড়ির দখলে থাকবে আপাতত ইডির হেফাজতেই। যতদিন পর্যন্ত এই মামলা'র নিস্পত্তি হচ্ছে না ততদিন বিপুল পরিমাণ এই সম্পত্তির কোনও বিক্রি কিংবা কেনাও যাবে না। যদি একটি বাড়ি সম্পত্তি হিসাবে বাজেয়াপ্ত করা হয়, তাহলে অভিযুক্তরা সেখানে বসবাস করতে পারে কিন্তু ভাড়া বা বিক্রি করতে পারে না।

মানি লন্ডারিং আইনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন।
অন্যদিকে যদি মানি লন্ডারিং আইনে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে দোষী পাওয়া যায় তাহলে বিপুল এই সম্পত্তি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সরকারের অধীনে তুলে দেবে তা। সবথেকে প্রথমে নগদ তুলে দেওয়া হবে। তবে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যদি দাবি করে বিপুল এই সম্পত্তি তাঁর তাহলে তাঁকে প্রমাণ দিতে হবে। কীভাবে তা রোজগার করা হল সেই সংক্রান্ত তথ্যও জমা দিতে হবে। আইনজীবীদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানি লন্ডারিং আইনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি আইন। এবং কড়া আইনও বটে।

খোঁজ নিচ্ছে আয়কর দফতর
পাশাপাশি আয়কর দফতরের তরফেও এই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। গত পাঁচ বছরের আইটি রিটার্ন সংক্রান্ত তথ্য অর্পিতার কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে বলে খবর। আর তা না দিতে পারলে আরও আইনি জটিলতায় পার্থ এবং র্পতা ফাঁসতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications