কর্মসাথী প্রকল্প কী, কারা পাবেন সুবিধা, কীভাবেই বা করতে হবে আবেদন
কর্মসাথী প্রকল্প কী, কারা পাবেন সুবিধা, কীভাবেই বা করতে হবে আবেদন
বর্তমানে যেসব সমস্যা রয়েছে, তার মধ্যে বেকার সমস্যা হল অন্যতম বড় সমস্যা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) সরকার যুবকদের আত্মনির্ভর করতে, পাশাপাশি উদ্যোগপতি তৈরি করতে বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ২০২০ সালে হাতে নেওয়া এই প্রকল্পে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়াতে ঋণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি নতুন প্রোজেক্টের জন্য ভর্তুকি দেওয়ার কথাও জানিয়েছে।

২০২০-তে প্রকল্পের ঘোষণা
২০২০-র অগাস্টে আন্তর্জাতিক যুব দিবসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সম্প্রদায়ের জন্য কর্মসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একলক্ষ যুবককে সফট লোন এবং অন্য সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, একদিকে দেশে বেকারত্ব যখন সর্বোচ্চ ২৪% তখন এই রাজ্যে বেকারত্বের হার কমেছে ৪০%।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য
মূল উদ্দেশ্য রাজ্যের বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করে তোলা। যাতে রাজ্যের বেকার যুবকরা নতুন ব্যবসা শুরু করে নিজের ছাড়াও আরও কয়েকজনকে কর্মসংস্থানের হদিশ দিতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য হল এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে বেকারত্বের হার আরও কমানো, পাশাপাশি তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি এবং আত্মনির্ভরশীলতাও গড়ে তোলা। রাজ্যের গ্রাম থেকে শহর সব জায়গাতেই এই সুযোগ তৈরির কথা বলা হয়েছে।

কর্মসাথী প্রকল্পে উপকার
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব উদ্দেশ্য নিয়ে এই প্রকল্প চালু করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে, রাজ্যের তরুণ যুবকরা ঋণ নিয়ে এমন পরিবেশে তৈরি করতে সক্ষণ হবেন, যাতে নিজের আর্থিক উন্নতির সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজনের কাজের সুবিধা করতে পারবেন।

প্রকল্পে ইনসেন্টিভ
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে এক লক্ষ যুবক-যুবতীকে ২ লক্ষ টাকা করে ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই প্রকল্প চালাতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঋণের সঙ্গে রয়েছে ভর্তুকির সুযোগ এবং সহজ কিস্তিতে ঋণ শোধের সুবিধা। প্রকল্প ব্যয়ের ১৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা যেটা কম হবে, তাই ভর্তুকি হিসেবে পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্পের সাহায্যে বেকার যুবক-যুবতীরা ছোট উৎপাদন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

যোগ্যতার মানদণ্ড
এই প্রকল্পে যোগত্যার মানদণ্ড হিসেবে বলা হয়েছে যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে সাহায্য পাবেন। যিনি আবেদন করবেন, তাঁকে এই রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এছাড়াও আবেদনকারীকে এই রাজ্যের স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম কিংবা দ্বাদশ শ্রেণি পাশ হতে হবে। একটি পরিবার থেকে কেবলমাত্র একজনই আবেদন করতে পারবেন। এখানে একটি পরিবার বলতে বাবা-মা এবং স্ত্রীর কথা বলা হয়েছে। ১৮ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে যে কেউ এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ যেসব প্রমাণপত্র লাগবে
আবেদনকারীর ভোটার আইডি কার্ড, আধার কার্ড, ঠিকানার প্রমাণ, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে।
ছবি সৌজন্য টুইটার












Click it and Unblock the Notifications