তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে কী পেল সিবিআই? সন্দীপ ঘোষ সম্পর্কে কিছু বললেন না তিনি!
সামান্য কিছু বিষয় জানার জন্য সিবিআই আধিকারিকরা গিয়েছিলেন। সেই সব জানার পর চলে যান সিবিআই তদন্তকারীরা। এ কথাই বললেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ্ত রায়। আরজি কর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদেও রয়েছেন তিনি।
হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন করছেন। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থান চলছে তাঁদের। নবান্নর সঙ্গে আলোচনার দরজা তারা খুলে রেখেছেন। কিন্তু তাঁদের দাবি মানতে হবে। এ কথাও জোরালোভাবে বলছেন আন্দোলনকারীরা।

এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআই আধিকারিকরা কলকাতা শহরের একাধিক জায়গায় হানা দেয়। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি চলে। আধিকারিকরা তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতেও হানা দেন। সিঁথির মোড়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। তাহলে কি সুদীপ্ত রায়ের সঙ্গেও আরজি কর কাণ্ডে যোগসূত্র রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিন বেলায় সিবিআই আধিকারিকরা বেরিয়ে যান। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুদীপ্ত রায়। তিনি শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক৷ আরজি কর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।
একটি নার্সিংহোম রয়েছে তাঁর। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে যন্ত্রপাতি সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমন অভিযোগ বিরোধীদের তরফ থেকে করা হয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ কোনও ভাবেই মানতে চাননি সুদীপ্ত রায়। সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতির কাগজপত্র থাকে। সেই সব যন্ত্রপাতি হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বলেন সুদীপ্ত রায়।
আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা অত্যন্ত নির্মম, নিন্দনীয়। তিনি এই ঘটনা শোনার পর স্তম্ভিত হয়ে যান। এ কথা বলেছেন সুদীপ্ত রায়। অভিক দে, বিরুপাক্ষ বিশ্বাস ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সে কথা তিনি শোনেননি। পিছনে যাওয়ার সঙ্গে স্পটে যাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। এই কথা জানিয়েছেন তিনি।
আরজি কর হাসপাতালের তদন্ত এখন সিবিআই করছে৷ আদালতে সেই ঘটনা বিচারাধীন। তাই সেইসব বিষয়ে তিনি কিছু বলবেন না। রোগী কল্যাণ সমিতির কাজ হাসপাতালের রোগীদের সাহায্য করা। সন্দীপ ঘোষে সম্পর্কে কোনও বক্তব্য রাখেননি তিনি। আরজি কর হাসপাতালের কোনও গাফিলতি ছিল কি? সে বিষয়েও কোনও কথা বলতে চাননি তৃণমূল বিধায়ক।
বৃহস্পতিবার বেলা একটার পরে সিবিআই আধিকারিকরা ওই বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান। তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমেও সিবিআই আধিকারিকরা গিয়েছিলেন বলে খবর। তল্লাশি অভিযানের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ির চার ধার ঘিরে রেখেছিল।












Click it and Unblock the Notifications