ভোট পরবর্তী হিংসা: কলকাতায় মৃত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়! কলকাতায় মৃত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তা পরীক্ষা করে সাতদিনের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়! কলকাতায় মৃত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তা পরীক্ষা করে সাতদিনের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে তা রিপোর্ট আকারে দিতে হবে।

মুখবন্ধ খামে এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। অন্যদিকে, জানা যাচ্ছে, ভোট পরবর্তী হিংসাতে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন রাজ্যে যে তদন্ত চালাচ্ছিল সেই তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট আদালতে জমা পড়েছে।
ভোটের পর থেকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ বঙ্গ বিজেপির। কার্যত এই অভিযোগে একের পর এক মামলা কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে। সেই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাই কোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। বৃহত্তর বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালতের নির্দেশ, ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নিহত অভিজিত্ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।
শুধু তাই নয়, মৃতের ভাইয়ের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে।
বুধবারের মধ্যে সেই নমুনা সংগ্রহ করে ফেলতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের আরও নির্দেশ, অভিজিৎের ডিনএ পরীক্ষা করবে কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল। এরপর সেই নমুনা পাঠাতে হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই ডিএনএ'র নমুনা পরীক্ষা হবে।
এরপর এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিকে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে।
তবে এক্ষেত্রে নমুনা সংগ্রহের সময় রাজ্য পুলিশের কাউকে রাখার পক্ষে জোড়াল সওয়াল করেন রাজ্যের আইনজীবী। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশণকে তদন্তের নির্দেশ দেয় বৃহত্তর বেঞ্চ। গত কয়েকদিন আগে মুখবন্ধ খামে সেই রিপোর্ট অর্ধেক জমা দেয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা।
আজ শুনানিতে বৃহত্তর বেঞ্চের কাছে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত বিশেষ কমিটি। একেবারে খামে বন্ধ অবস্থায় সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications