পুরভোটে অবাধ সন্ত্রাস! ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক বিজেপির
পুরভোটে অবাধ সন্ত্রাস। বিভিন্ন জায়গাতে
ভোটের নামে প্রহসনের অভিযোগ! আর এই অভিযোগে একযোগে প্রতিবাদ আন্দোলনের ডাক বিরোধীদের। ইতিমধ্যে সন্ত্রাসের অভিযোগে বিভিন্ন জায়গাতে বিক্ষোভ-আন্দোলনে নেমেছে বামেরা। এমনকি বিজেপির তরফে জেলার বিভিন্ন জায়গাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিতে দেখা গিয়েছে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আগামীকাল সোমবার বাংলা বনধের ডাক দিল বঙ্গ বিজেপি। সপ্তাহের প্রথমদিনেই সকাল ৬টা থেকে রাজ্যের সর্বত্র বনধ পালিত হবে বলে জানা গিয়েছে। ১২ ঘন্টার এই বনধ ডাকা হয়েছে। মুলত সন্ত্রাসের অভিযোগেই এই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে বলে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে পুরসন্ত্রাস নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ১০টার সময়ে রাজভবনে পুর-কমিশনার সৌরভ দাসকে তলব করেছেন রাজ্যপাল। কেন এত অভিযোগ, অভিযোগের ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা সমস্ত বিষয়ে রাজ্যপাল কমিশনারের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। রাজ্যপালের এহেন সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে বনধের কারনে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
যদিও এই বনধের পরিপ্রেক্ষিতে এখনও রাজ্যের তরফে কিছু জানানো হয়নি। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এই বনধ সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ করতে ময়দানে নামতে পারে রাজ্য সরকার।
এদিন ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অশান্তির পরিমান আরও বাড়তে থাকে। রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা থেকে অশান্তির খবর আসতে শুররু করে। কোথাও বিরোধী এজেন্টদের বাধাদানের অভিযোগ তো কোথায় প্রার্থীকেই মারধরের অভিযোগ। এমনকি একাধিক জায়গাতে ইভিএম ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে দিনের শেষে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
বিভিন্ন জায়গা থেকে বোমা-গুলি চলার খবর সামনে আসতে থাকে। বিজেপির অভিযোগ, এই বিষয়ে বারবার নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। এমকি পুলিশের বিরুদ্ধেও নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ বিজেপির। এমনকি শাসকদলের বিরুদ্ধে পুলিশ কাজ করেছে বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় রাজ্যে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি এদিন বাংলার ভোটের সঙ্গে ইউক্রেনের তুলনা টানেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের।
তিনি বলেন, ইউক্রেনে এত বড় যুদ্ধ চলছে কিন্তু একটা সাংবাদিকও মার খায়নি। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু বাংলার ভোটে সকাল থেকে সাংবাদিকরা মার খেয়ে গেল। শুধু ইউক্রেন নয়, এদিন উত্তরপ্রদেশ ভোটের সঙ্গেও রাজ্যের তুলনা টানা হয়। শুধু তাই নয়, গেরুয়া শিবিরের দাবি, শাসক তৃণমূল সোমবার গায়ের জোরে ভোট করিয়েছে। বহু জায়গায় ভোট লুঠ হয়েছে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদেই এই বনধের ডাক।












Click it and Unblock the Notifications